লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন

দেশের জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) সভায় এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। সভাটির সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে দুই কার্গো করে এলএনজি আমদানি করা হবে। এই পরিকল্পনার আওতায় নির্ধারিত সময়ে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি দেশে আনা হবে। এছাড়া, চুক্তিতে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার সুযোগও রাখা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি সিসিইএর সভায় উপস্থাপন করেছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জরুরি ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি আমদানির এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন

টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) সভায় এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। সভাটির সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের জুন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে দুই কার্গো করে এলএনজি আমদানি করা হবে। এই পরিকল্পনার আওতায় নির্ধারিত সময়ে মোট ১৮ কার্গো এলএনজি দেশে আনা হবে। এছাড়া, চুক্তিতে উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার সুযোগও রাখা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি সিসিইএর সভায় উপস্থাপন করেছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে জরুরি ভিত্তিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এলএনজি আমদানির এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।