লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছয় মাসে রেলের আয় ২২৫ কোটি টাকা বেড়েছে বলে জানালেন রেলমন্ত্রী

বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় গত ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় ২২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় এই পরিবহন সংস্থার লোকসানের পরিমাণও সমপরিমাণ কমেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান।

রেলপথমন্ত্রী জানান, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় হ্রাস এবং আয় বৃদ্ধির জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের ফলেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে আয় বাড়লেও চলতি বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। রেলওয়ের এই আর্থিক বোঝা লাঘব করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

রেলের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, দেশের অনেক রেললাইন ১৯৩০, ১৯৪০ এবং ১৯৭০-এর দশকে স্থাপন করা হয়েছিল। এই পুরোনো মিটারগেজ রেললাইনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া কিছু রেল সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ বর্তমানে সহজে পাওয়া যায় না। এসব কারণে ব্যয় কমিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অত্যন্ত লাভজনক কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে শেখ রবিউল আলম জানান, এই রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন ও কোচের ঘাটতি থাকায় বর্তমানে মাত্র দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করছে। তবে ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং খুব দ্রুতই এগুলো পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া কক্সবাজার রুটে বেসরকারি উদ্যোগে ট্রেন পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব এসেছে। রেলপথমন্ত্রী জানান, এই প্রস্তাবগুলো বর্তমানে গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা ও বিবেচনা করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে এই লাভজনক রুটে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত ট্রেনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

টোটাল এনার্জিস থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন

ছয় মাসে রেলের আয় ২২৫ কোটি টাকা বেড়েছে বলে জানালেন রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় গত ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় ২২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় এই পরিবহন সংস্থার লোকসানের পরিমাণও সমপরিমাণ কমেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান।

রেলপথমন্ত্রী জানান, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় হ্রাস এবং আয় বৃদ্ধির জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপের ফলেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। তবে আয় বাড়লেও চলতি বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। রেলওয়ের এই আর্থিক বোঝা লাঘব করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

রেলের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, দেশের অনেক রেললাইন ১৯৩০, ১৯৪০ এবং ১৯৭০-এর দশকে স্থাপন করা হয়েছিল। এই পুরোনো মিটারগেজ রেললাইনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া কিছু রেল সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ বর্তমানে সহজে পাওয়া যায় না। এসব কারণে ব্যয় কমিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অত্যন্ত লাভজনক কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে শেখ রবিউল আলম জানান, এই রুটে যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন ও কোচের ঘাটতি থাকায় বর্তমানে মাত্র দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করছে। তবে ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং খুব দ্রুতই এগুলো পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া কক্সবাজার রুটে বেসরকারি উদ্যোগে ট্রেন পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব এসেছে। রেলপথমন্ত্রী জানান, এই প্রস্তাবগুলো বর্তমানে গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা ও বিবেচনা করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বের মাধ্যমে এই লাভজনক রুটে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত ট্রেনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।