লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঙালি মুসলমানের আইডেন্টিটি প্রতিষ্ঠাই হাদির লক্ষ্য ছিল: মাহমুদুর রহমান

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির লক্ষ্য ছিল বাঙালি মুসলমানের নিজস্ব পরিচয় ও আইডেন্টিটি সুপ্রতিষ্ঠিত করা, আর এই কারণেই তাকে টার্গেট করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান। মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন অডিটোরিয়ামে ডাকসু প্রকাশিত ‘শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বক্তব্য সংকলন’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও হাদি তাদের ‘লার্জেস্ট কালচারাল মাইনরিটি’ বা বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংখ্যালঘু হিসেবে অভিহিত করতেন। তার মতে, দেশের পণ্ডিত, ইতিহাসবিদ বা দার্শনিকরা আমাদের জাতিসত্তার গভীর পরিচয় সংকট সমাধান করতে পারেননি এবং মানুষের সামনে তা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে হাদি বাঙালি মুসলমানের এই নিজস্ব সত্তাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমার দেশ সম্পাদক আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে চিরতরে সংহত ও সুরক্ষিত করার জন্য বাঙালি মুসলমানের নিজস্ব পরিচয় সুপ্রতিষ্ঠিত করা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, বহিরাগত আধিপত্য এড়াতে এবং স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নিজেদের আইডেন্টিটি ও সংস্কৃতিকে শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠিত করাই সর্বোত্তম উপায়। মাহমুদুর রহমান আরও জানান, এই লক্ষ্য অর্জনেই হাদি একটি ‘কালচারাল রেভলিউশন’ বা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কথা বলেছিলেন, যার মাধ্যমেই বাঙালি জাতি প্রকৃত অর্থে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলায় ইউপি নির্বাচনে বেকারদের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি জাকির হোসেনের

বাঙালি মুসলমানের আইডেন্টিটি প্রতিষ্ঠাই হাদির লক্ষ্য ছিল: মাহমুদুর রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির লক্ষ্য ছিল বাঙালি মুসলমানের নিজস্ব পরিচয় ও আইডেন্টিটি সুপ্রতিষ্ঠিত করা, আর এই কারণেই তাকে টার্গেট করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান। মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন অডিটোরিয়ামে ডাকসু প্রকাশিত ‘শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বক্তব্য সংকলন’-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মাহমুদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও হাদি তাদের ‘লার্জেস্ট কালচারাল মাইনরিটি’ বা বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংখ্যালঘু হিসেবে অভিহিত করতেন। তার মতে, দেশের পণ্ডিত, ইতিহাসবিদ বা দার্শনিকরা আমাদের জাতিসত্তার গভীর পরিচয় সংকট সমাধান করতে পারেননি এবং মানুষের সামনে তা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে হাদি বাঙালি মুসলমানের এই নিজস্ব সত্তাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমার দেশ সম্পাদক আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে চিরতরে সংহত ও সুরক্ষিত করার জন্য বাঙালি মুসলমানের নিজস্ব পরিচয় সুপ্রতিষ্ঠিত করা অপরিহার্য। তিনি মনে করেন, বহিরাগত আধিপত্য এড়াতে এবং স্বাধীন অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে নিজেদের আইডেন্টিটি ও সংস্কৃতিকে শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠিত করাই সর্বোত্তম উপায়। মাহমুদুর রহমান আরও জানান, এই লক্ষ্য অর্জনেই হাদি একটি ‘কালচারাল রেভলিউশন’ বা সাংস্কৃতিক বিপ্লবের কথা বলেছিলেন, যার মাধ্যমেই বাঙালি জাতি প্রকৃত অর্থে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।