লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে বন্যার স্রোতে টিকে থাকা সেই অলৌকিক সবুজ বাড়ি

নেপালের নুয়াকোটের ধুঙ্গে বাজারে ত্রিশূলী নদীর তীরে অবস্থিত ১৯৯৫ সালে নির্মিত একটি সবুজ রঙের বাড়ি ভয়াবহ বন্যার মধ্যেও অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশের সবকিছু স্রোতে ভেসে গেলেও এই বাড়িটি টিকে থাকায় স্থানীয়দের মাঝে এটি 'অলৌকিক বাড়ি', 'ভাইরাল বাড়ি' ও 'বন্যা-প্রতিরোধী বাড়ি' হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বাড়িটির মালিক ৬৭ বছর বয়সী ছত্র বাহাদুর পিয়াকুরেল জানান, তিনি দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বাড়ির বারান্দা থেকে চারপাশের ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন। পানির স্রোত যখন আরও বিপজ্জনক উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখন তিনি বাড়ির ছাদে আশ্রয় নেন। পানি কিছুটা কমে এলে প্রতিবেশীরা ধাতব পাইপ দিয়ে একটি অস্থায়ী সিঁড়ি তৈরি করে তাকে উদ্ধার করেন।

পিয়াকুরেল আরও জানান, বাড়িটির স্থায়িত্বের রহস্য লুকিয়ে আছে এর নির্মাণশৈলীতে। বাড়িটির স্তম্ভগুলো পাথরের অনেক গভীরে গেঁথে দেওয়া হয়েছিল, যা একে এই ভয়াবহ বন্যা মোকাবিলায় সক্ষম করেছে। বর্তমানে এই সবুজ বাড়িটি দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন এবং অনেকে এর সামনে দাঁড়িয়ে বিস্ময় নিয়ে সেলফি তুলছেন। পিয়াকুরেল নিচতলায় একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন।

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৫৯আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ০২

জনপ্রিয় সংবাদ

র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন

নেপালে বন্যার স্রোতে টিকে থাকা সেই অলৌকিক সবুজ বাড়ি

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালের নুয়াকোটের ধুঙ্গে বাজারে ত্রিশূলী নদীর তীরে অবস্থিত ১৯৯৫ সালে নির্মিত একটি সবুজ রঙের বাড়ি ভয়াবহ বন্যার মধ্যেও অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশের সবকিছু স্রোতে ভেসে গেলেও এই বাড়িটি টিকে থাকায় স্থানীয়দের মাঝে এটি 'অলৌকিক বাড়ি', 'ভাইরাল বাড়ি' ও 'বন্যা-প্রতিরোধী বাড়ি' হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বাড়িটির মালিক ৬৭ বছর বয়সী ছত্র বাহাদুর পিয়াকুরেল জানান, তিনি দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বাড়ির বারান্দা থেকে চারপাশের ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন। পানির স্রোত যখন আরও বিপজ্জনক উচ্চতায় পৌঁছে যায়, তখন তিনি বাড়ির ছাদে আশ্রয় নেন। পানি কিছুটা কমে এলে প্রতিবেশীরা ধাতব পাইপ দিয়ে একটি অস্থায়ী সিঁড়ি তৈরি করে তাকে উদ্ধার করেন।

পিয়াকুরেল আরও জানান, বাড়িটির স্থায়িত্বের রহস্য লুকিয়ে আছে এর নির্মাণশৈলীতে। বাড়িটির স্তম্ভগুলো পাথরের অনেক গভীরে গেঁথে দেওয়া হয়েছিল, যা একে এই ভয়াবহ বন্যা মোকাবিলায় সক্ষম করেছে। বর্তমানে এই সবুজ বাড়িটি দেখতে অনেকেই ভিড় করছেন এবং অনেকে এর সামনে দাঁড়িয়ে বিস্ময় নিয়ে সেলফি তুলছেন। পিয়াকুরেল নিচতলায় একটি মুদি দোকান পরিচালনা করতেন।

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ৫৯আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬: ০২