লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপিওভুক্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত

বাংলাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এনটিআরসিএর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

তবে আদালত রিটকারী ৪৬ জন শিক্ষকের স্বার্থ রক্ষার স্বার্থে ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। এই পদগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ শুনানিতে হবে। সংরক্ষিত এই ৪৬টি পদ বাদে বাকি শূন্যপদগুলোতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভা ও পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবে এনটিআরসিএ।

সূত্র জানায়, সরকার গত ২৫ মার্চ এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগসংক্রান্ত একটি সংশোধনী জারি করেছিল। এর আগে ২০২৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত কার্যকর ছিল। সংশোধনীতে প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য মোট ১৮ বছরের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়। এই নতুন শর্তকে বৈষম্যমূলক দাবি করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকারের ২৫ মার্চের সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রুল অ্যাবসলিউট করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে জানান, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতায় প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যপদ ছিল ১০ হাজার ২৭৮টি। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে তিন হাজার ১৩১টি এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপার পদে ১৫০টি শূন্যপদ ছিল। সব মিলিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের কথা উল্লেখ থাকলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাসের কূপের সন্ধান, মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট

এমপিওভুক্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) এনটিআরসিএর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) গ্রহণে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

তবে আদালত রিটকারী ৪৬ জন শিক্ষকের স্বার্থ রক্ষার স্বার্থে ৪৬টি পদ সংরক্ষিত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। এই পদগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ শুনানিতে হবে। সংরক্ষিত এই ৪৬টি পদ বাদে বাকি শূন্যপদগুলোতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ভাইভা ও পরবর্তী নিয়োগ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবে এনটিআরসিএ।

সূত্র জানায়, সরকার গত ২৫ মার্চ এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগসংক্রান্ত একটি সংশোধনী জারি করেছিল। এর আগে ২০২৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত কার্যকর ছিল। সংশোধনীতে প্রধান শিক্ষক পদে আবেদনের জন্য মোট ১৮ বছরের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়। এই নতুন শর্তকে বৈষম্যমূলক দাবি করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে হাইকোর্ট সরকারের ২৫ মার্চের সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রুল অ্যাবসলিউট করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতে জানান, ২০২৬ সালের ২৯ জানুয়ারির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতায় প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যপদ ছিল ১০ হাজার ২৭৮টি। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার পদে তিন হাজার ১৩১টি এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপার পদে ১৫০টি শূন্যপদ ছিল। সব মিলিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১৩ হাজার ৫৫৯টি শূন্যপদের কথা উল্লেখ থাকলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে বর্তমানে এ সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজারে পৌঁছাতে পারে।