লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকক সফরে মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা মিন অং হ্লাইং থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে দুই দিনের এক ‘রাষ্ট্রীয়’ সফর শুরু করেছেন। এই সফরে তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ১০ই এপ্রিল সামরিকপন্থী পার্লামেন্টের মাধ্যমে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আসিয়ানভুক্ত কোনো দেশে এটি তার দ্বিতীয় সফর।

থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড ‘পরিমিত পুনঃসম্পৃক্ততার’ নীতি অনুসরণ করছে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সংলাপের পথ খোলা রাখা এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে দৃশ্যমান অগ্রগতিকে উৎসাহিত করা। গত ৬ই আগস্ট মিন অং হ্লাইং এবং আনুতিন ২০২৬ সালের থাইল্যান্ড-মিয়ানমার বিজনেস ফোরামে অংশ নেন। সেখানে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে থাই প্রধানমন্ত্রী আসিয়ানের নির্ধারিত শান্তি পরিকল্পনা ‘ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস’ মেনে চলার জন্য মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর চাপ প্রয়োগের কথা জানিয়েছেন। এই পরিকল্পনায় সহিংসতা বন্ধ, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সব পক্ষকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে, মিন অং হ্লাইংয়ের এই সফরের প্রতিবাদে ৫ই আগস্ট থাইল্যান্ডের ১৬টি নাগরিক সংগঠন যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছে, মিয়ানমারের ৫ হাজার শরণার্থীকে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা থাকলেও, তাদের জীবন ঝুঁকিতে থাকা বা নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে সেই পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে না। মন্ত্রিসভার ব্রিফিংয়ে যোগাযোগমন্ত্রী ও সরকারের মুখপাত্র ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছেন, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করছে এবং নেপিডোর জান্তা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ফেরত পাঠানোর মানদণ্ড নির্ধারণ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের সুরক্ষায় তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি

ব্যাংকক সফরে মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

মিয়ানমারের সামরিক জান্তা মিন অং হ্লাইং থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে দুই দিনের এক ‘রাষ্ট্রীয়’ সফর শুরু করেছেন। এই সফরে তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ১০ই এপ্রিল সামরিকপন্থী পার্লামেন্টের মাধ্যমে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আসিয়ানভুক্ত কোনো দেশে এটি তার দ্বিতীয় সফর।

থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন জানিয়েছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে থাইল্যান্ড ‘পরিমিত পুনঃসম্পৃক্ততার’ নীতি অনুসরণ করছে। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো সংলাপের পথ খোলা রাখা এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে দৃশ্যমান অগ্রগতিকে উৎসাহিত করা। গত ৬ই আগস্ট মিন অং হ্লাইং এবং আনুতিন ২০২৬ সালের থাইল্যান্ড-মিয়ানমার বিজনেস ফোরামে অংশ নেন। সেখানে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বৈঠকে থাই প্রধানমন্ত্রী আসিয়ানের নির্ধারিত শান্তি পরিকল্পনা ‘ফাইভ-পয়েন্ট কনসেনসাস’ মেনে চলার জন্য মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর চাপ প্রয়োগের কথা জানিয়েছেন। এই পরিকল্পনায় সহিংসতা বন্ধ, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং সব পক্ষকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংলাপের আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে, মিন অং হ্লাইংয়ের এই সফরের প্রতিবাদে ৫ই আগস্ট থাইল্যান্ডের ১৬টি নাগরিক সংগঠন যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

অন্যদিকে, মালয়েশিয়া সরকার জানিয়েছে, মিয়ানমারের ৫ হাজার শরণার্থীকে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা থাকলেও, তাদের জীবন ঝুঁকিতে থাকা বা নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে সেই পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে না। মন্ত্রিসভার ব্রিফিংয়ে যোগাযোগমন্ত্রী ও সরকারের মুখপাত্র ফাহমি ফাদজিল জানিয়েছেন, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করছে এবং নেপিডোর জান্তা সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ফেরত পাঠানোর মানদণ্ড নির্ধারণ করা হচ্ছে।