লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যায় বিধ্বস্ত নেপালে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা

হিমালয়ের পাদদেশে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল এবং প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নেপাল পুলিশের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাণঘাতী দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৩৫৯ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া প্রায় এক হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত আছেন।

ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পরও ওই অঞ্চলে ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, হিমালয় অঞ্চলটিতে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বিশাল বাধা জমে আছে। যদি এই বাধা কোনোভাবে ভেঙে যায়, তবে আবারও বড় ধরনের বন্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত যখন একসঙ্গে মিলিত হয়, তখন মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো সম্ভব। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের এই সাম্প্রতিক বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিমানবন্দরে ৫ কেজি কুশসহ দুই ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

বন্যায় বিধ্বস্ত নেপালে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

হিমালয়ের পাদদেশে আঘাত হানা ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল এবং প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নেপাল পুলিশের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই প্রাণঘাতী দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৩৫৯ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া প্রায় এক হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত আছেন।

ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পরও ওই অঞ্চলে ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, হিমালয় অঞ্চলটিতে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

তিনি জানান, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বিশাল বাধা জমে আছে। যদি এই বাধা কোনোভাবে ভেঙে যায়, তবে আবারও বড় ধরনের বন্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত যখন একসঙ্গে মিলিত হয়, তখন মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো সম্ভব। নেপাল-তিব্বত সীমান্তের এই সাম্প্রতিক বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।