লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘অস্থির অধ্যায়’ বললেন পূজা বেদি

অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে নিজের কৈশোরের প্রেমকে জীবনের অত্যন্ত ‘অস্থির এক অধ্যায়’ বলে অভিহিত করেছেন বলিউড অভিনেত্রী পূজা বেদি। সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের জীবনের নানা অজানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। পূজা জানান, যখন এই সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। যুক্তরাষ্ট্র থেকে পড়ালেখা শেষ করে ভারতে ফিরে সবেমাত্র চলচ্চিত্রে পা রেখেছিলেন তিনি। অতীতকে জীবনের বড় এক অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপাতত বিষয়টি এ পর্যন্তই থাক।

নব্বইয়ের দশকে আদিত্য পাঞ্চোলি ও পূজা বেদির প্রেম নিয়ে বলিপাড়ায় তুমুল শোরগোল তৈরি হয়েছিল। সেই সময়ে পাঞ্চোলি বিবাহিত ছিলেন এবং তার স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী জরিনা ওয়াহাব। দীর্ঘ বছর পর পূজা এই সম্পর্কটিকে তীব্র আবেগের কিন্তু অকালেই ভেঙে যাওয়া একটি অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাদের বিচ্ছেদের পর জল অনেক দূর গড়ায় এবং পূজার এক অপ্রাপ্তবছরের গৃহকর্মী পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন, যা নিয়ে পূজা থানায় অভিযোগও করেছিলেন। তবে এই বিষয়ে এখন আর বিশদ কথা বলতে চান না পূজা। এর পেছনে তার যুক্তি হলো, পাঞ্চোলির এখন দুটি চমৎকার সন্তান রয়েছে যারা প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের বাবার অতীত নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করানো মোটেও রুচিসম্মত বা ন্যায্য নয়। কেউ জানতে চাইলে গুগলে খুঁজে নিতে পারে।

এই অতীতকে পূজা এখন জীবনের একটি বড় শিক্ষা হিসেবে দেখেন, যা তাকে আরও শক্তিশালী ও জ্ঞানী করে তুলেছে। চলচ্চিত্র জগতের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখনও মাঝেমধ্যে পাঞ্চোলির সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়, তবে তাদের মধ্যে কোনো সৌজন্য বিনিময় হয় না। এমন পরিস্থিতিতে পূজা ভদ্রতা বজায় রেখে মুখ ফিরিয়ে সেখান থেকে চলে যাওয়াটাই শ্রেয় মনে করেন। পডকাস্টে পূজার বাবা কবীর বেদি ও মা প্রতিমা বেদির প্রসঙ্গও উঠে আসে। বিশেষ করে তার বাবার সঙ্গে প্রয়াত অভিনেত্রী পারভিন বাবির সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন পূজা। তার মতে, বৈবাহিক সম্পর্কের ভেতর আগে থেকে কোনো শূন্যতা তৈরি না হলে বাইরে থেকে কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। এটি কখনোই অন্য কোনো নারীর বিষয় নয়, বরং বিষয়টি সবসময় ওই দম্পতির পারস্পরিক অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করে।

পূজা জানান, বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হলেও তারা নিশ্চিত করেছিলেন যেন পূজা নিজেকে কখনো অবাঞ্ছিত বা তাদের সমস্যার কারণ মনে না করেন। তিনি তার সব সৎমাকেই ভালোবাসতেন এবং কবীর বেদির ছেলে আদমকে সৎভাই নয়, নিজের ভাই ও পরিবারের অংশ মনে করেন। পুনরায় বিয়ে না করার বিষয়ে পূজা জানান, তিনি ‘ওপেন ম্যারেজ’-এ বিশ্বাসী নন, তার কাছে বিয়ে মানেই বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য। তবে বিয়ের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। ম্যানেক কনট্রাক্টরের সঙ্গে দীর্ঘ আট বছর ধরে বাগদান সম্পন্ন হয়ে থাকলেও তাকে বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা নেই পূজার। তার মতে, পারস্পরিক অঙ্গীকারই যথেষ্ট, বিয়ে মানে কেবল একটি কাগজে সই করা এবং নিজের প্রেমের জীবনে সরকারকে জড়িয়ে ফেলা। বাবা-মায়ের সুন্দর বিবাহবিচ্ছেদ পূজা ও তার সাবেক স্বামী ফারহান ফার্নিচারওয়ালার বিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল, যার ফলে তারাও সুন্দরভাবে সম্পর্কটি শেষ করতে পেরেছিলেন।

এ বিষয়টি নিয়ে অনলাইন এনডিটিভি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ১৯৯০-এর দশকে আদিত্য পাঞ্চোলি ও পূজা বেদির সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সে সময় পাঞ্চোলি অভিনেত্রী জরিনা ওয়াহাবকে বিয়ে করেন। বহু বছর পর পূজা তার সঙ্গে সম্পর্ককে আবেগে তীব্র হলেও তা শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে যাওয়া একটি সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেন। তাদের ব

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফেরাতে ৭ দফা নির্দেশনা

আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে সম্পর্ককে ‘অস্থির অধ্যায়’ বললেন পূজা বেদি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে নিজের কৈশোরের প্রেমকে জীবনের অত্যন্ত ‘অস্থির এক অধ্যায়’ বলে অভিহিত করেছেন বলিউড অভিনেত্রী পূজা বেদি। সম্প্রতি ভিকি লালওয়ানির একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে নিজের জীবনের নানা অজানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। পূজা জানান, যখন এই সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। যুক্তরাষ্ট্র থেকে পড়ালেখা শেষ করে ভারতে ফিরে সবেমাত্র চলচ্চিত্রে পা রেখেছিলেন তিনি। অতীতকে জীবনের বড় এক অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপাতত বিষয়টি এ পর্যন্তই থাক।

নব্বইয়ের দশকে আদিত্য পাঞ্চোলি ও পূজা বেদির প্রেম নিয়ে বলিপাড়ায় তুমুল শোরগোল তৈরি হয়েছিল। সেই সময়ে পাঞ্চোলি বিবাহিত ছিলেন এবং তার স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী জরিনা ওয়াহাব। দীর্ঘ বছর পর পূজা এই সম্পর্কটিকে তীব্র আবেগের কিন্তু অকালেই ভেঙে যাওয়া একটি অধ্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তাদের বিচ্ছেদের পর জল অনেক দূর গড়ায় এবং পূজার এক অপ্রাপ্তবছরের গৃহকর্মী পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন, যা নিয়ে পূজা থানায় অভিযোগও করেছিলেন। তবে এই বিষয়ে এখন আর বিশদ কথা বলতে চান না পূজা। এর পেছনে তার যুক্তি হলো, পাঞ্চোলির এখন দুটি চমৎকার সন্তান রয়েছে যারা প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের বাবার অতীত নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করানো মোটেও রুচিসম্মত বা ন্যায্য নয়। কেউ জানতে চাইলে গুগলে খুঁজে নিতে পারে।

এই অতীতকে পূজা এখন জীবনের একটি বড় শিক্ষা হিসেবে দেখেন, যা তাকে আরও শক্তিশালী ও জ্ঞানী করে তুলেছে। চলচ্চিত্র জগতের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখনও মাঝেমধ্যে পাঞ্চোলির সঙ্গে তার দেখা হয়ে যায়, তবে তাদের মধ্যে কোনো সৌজন্য বিনিময় হয় না। এমন পরিস্থিতিতে পূজা ভদ্রতা বজায় রেখে মুখ ফিরিয়ে সেখান থেকে চলে যাওয়াটাই শ্রেয় মনে করেন। পডকাস্টে পূজার বাবা কবীর বেদি ও মা প্রতিমা বেদির প্রসঙ্গও উঠে আসে। বিশেষ করে তার বাবার সঙ্গে প্রয়াত অভিনেত্রী পারভিন বাবির সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন পূজা। তার মতে, বৈবাহিক সম্পর্কের ভেতর আগে থেকে কোনো শূন্যতা তৈরি না হলে বাইরে থেকে কেউ সেখানে প্রবেশ করতে পারে না। এটি কখনোই অন্য কোনো নারীর বিষয় নয়, বরং বিষয়টি সবসময় ওই দম্পতির পারস্পরিক অঙ্গীকারের ওপর নির্ভর করে।

পূজা জানান, বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হলেও তারা নিশ্চিত করেছিলেন যেন পূজা নিজেকে কখনো অবাঞ্ছিত বা তাদের সমস্যার কারণ মনে না করেন। তিনি তার সব সৎমাকেই ভালোবাসতেন এবং কবীর বেদির ছেলে আদমকে সৎভাই নয়, নিজের ভাই ও পরিবারের অংশ মনে করেন। পুনরায় বিয়ে না করার বিষয়ে পূজা জানান, তিনি ‘ওপেন ম্যারেজ’-এ বিশ্বাসী নন, তার কাছে বিয়ে মানেই বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য। তবে বিয়ের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। ম্যানেক কনট্রাক্টরের সঙ্গে দীর্ঘ আট বছর ধরে বাগদান সম্পন্ন হয়ে থাকলেও তাকে বিয়ে করার কোনো পরিকল্পনা নেই পূজার। তার মতে, পারস্পরিক অঙ্গীকারই যথেষ্ট, বিয়ে মানে কেবল একটি কাগজে সই করা এবং নিজের প্রেমের জীবনে সরকারকে জড়িয়ে ফেলা। বাবা-মায়ের সুন্দর বিবাহবিচ্ছেদ পূজা ও তার সাবেক স্বামী ফারহান ফার্নিচারওয়ালার বিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল, যার ফলে তারাও সুন্দরভাবে সম্পর্কটি শেষ করতে পেরেছিলেন।

এ বিষয়টি নিয়ে অনলাইন এনডিটিভি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, ১৯৯০-এর দশকে আদিত্য পাঞ্চোলি ও পূজা বেদির সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সে সময় পাঞ্চোলি অভিনেত্রী জরিনা ওয়াহাবকে বিয়ে করেন। বহু বছর পর পূজা তার সঙ্গে সম্পর্ককে আবেগে তীব্র হলেও তা শেষ হওয়ার আগেই ভেঙে যাওয়া একটি সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেন। তাদের ব