লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। রোববার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবতরণের পর তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। সেখানে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে তাকে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করা হয়।

ব্রিফিংকালে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। এছাড়া তাকে প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থান দেখানো হয়। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটিসহ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ও এলএনজি টার্মিনাল ঘুরে দেখেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গভীর সমুদ্রবন্দরের সমন্বিত উন্নয়ন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকায় একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা। সবশেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি ত্যাগ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়িতে অবস্থিত ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। রোববার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবতরণের পর তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। সেখানে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে তাকে বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদান করা হয়।

ব্রিফিংকালে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়। এছাড়া তাকে প্রস্তাবিত সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থান দেখানো হয়। পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী কোল জেটিসহ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর ও এলএনজি টার্মিনাল ঘুরে দেখেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মাতারবাড়িকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গভীর সমুদ্রবন্দরের সমন্বিত উন্নয়ন দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকায় একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, নিরাপত্তা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধা। সবশেষে দুপুর ১টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ি ত্যাগ করেন।