লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী সাজুর লাশ দেশে ফিরেছে

ভারতের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘের ব্যবসায়ী আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

লাশ হস্তান্তরের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ সজিব বালা, বিজিবির ভোমরা বিওপির কমান্ডার আফজাল হোসেন এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ভারতের ঘোজাডাঙ্গা ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের পক্ষে ছোট ভাই মাহাবুবুর নবী দীপু লাশ গ্রহণ করেন।

নিহত আলিমুজ্জামান সাজুর বয়স ছিল ৪৫ বছর। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুচ সরদারের ছেলে ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসার জন্য সাজু ভারতে গিয়েছিলেন। বুধবার তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল, তবে তার আগেই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি নিহত হন। স্বজনরা জানান, চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে সেই হোটেলে অবস্থান করছিলেন কালিগঞ্জেরই আরেক বাসিন্দা রেবতী। অগ্নিকাণ্ডে তিনিও প্রাণ হারান। রেবতীর পরিবারের সদস্যরা ভারতের নিমাইতলা শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা ফখরুলকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন বার্তা

ভারতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার ব্যবসায়ী সাজুর লাশ দেশে ফিরেছে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘের ব্যবসায়ী আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে নিহতের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

লাশ হস্তান্তরের সময় ইমিগ্রেশন পুলিশের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ সজিব বালা, বিজিবির ভোমরা বিওপির কমান্ডার আফজাল হোসেন এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ভারতের ঘোজাডাঙ্গা ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের পক্ষে ছোট ভাই মাহাবুবুর নবী দীপু লাশ গ্রহণ করেন।

নিহত আলিমুজ্জামান সাজুর বয়স ছিল ৪৫ বছর। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের মৃত ইউনুচ সরদারের ছেলে ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসার জন্য সাজু ভারতে গিয়েছিলেন। বুধবার তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল, তবে তার আগেই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি নিহত হন। স্বজনরা জানান, চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে সেই হোটেলে অবস্থান করছিলেন কালিগঞ্জেরই আরেক বাসিন্দা রেবতী। অগ্নিকাণ্ডে তিনিও প্রাণ হারান। রেবতীর পরিবারের সদস্যরা ভারতের নিমাইতলা শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছেন।