লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেরিনোর নৈপুণ্যে সেমিফাইনালে স্পেন, প্রশংসায় ভাসালেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে

বিশ্বকাপের শুরুটা খুব একটা আশাব্যঞ্জক না হলেও সময়ের সাথে সাথে নিজেদের শক্তিমত্তা প্রমাণ করে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। এই ম্যাচে জয়সূচক গোলটি আসে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর পা থেকে।

ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তার দলের গভীরতা ও মেরিনোর পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মিকেল একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়। এমন মানের ফুটবলারকে শুরুর একাদশের বাইরে রাখাটা অত্যন্ত কঠিন, তবে এটি দলের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় যে বেঞ্চেও এমন দক্ষ খেলোয়াড় মজুদ রয়েছে। কোচ আরও উল্লেখ করেন, বড় টুর্নামেন্টে সাফল্যের জন্য কেবল ১১ জন খেলোয়াড় যথেষ্ট নয়, বরং পুরো ২৬ জনের স্কোয়াডকেই প্রস্তুত থাকতে হয়।

চলতি বিশ্বকাপে এটি মেরিনোর প্রথম চমক নয়। এর আগে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে পর্তুগালের বিপক্ষেও বদলি নেমে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করেছিলেন আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ৮৮ মিনিটে সেনে লামেন্সের হাত ফসকে আসা বল জালে জড়িয়ে তিনি আবারো দলের ত্রাতা হয়ে ওঠেন। ম্যাচের শুরুতে ফাবিয়ান রুইজ স্পেনকে এগিয়ে দিলেও পরবর্তীতে চার্লস ডি কেটেলারে সমতা ফিরিয়েছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে বদলি গোলরক্ষক লামেন্সের ভুলে স্পেন জয়ের সুযোগ পায়।

সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্পেন। প্রতিপক্ষ নিয়ে কোনো ভীতি নেই জানিয়ে দে লা ফুয়েন্তে আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, ফ্রান্স শক্তিশালী দল হলেও আমরা তাদের হারিয়েছি এবং নিজেদের সামর্থ্যে বিশ্বাস রাখি। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, স্পেনের শক্তির মূল উৎস কোনো একক তারকা নয়, বরং দলের ঐক্য, পারস্পরিক বিশ্বাস এবং মানসিক দৃঢ়তা।

জনপ্রিয় সংবাদ

জয়পুরহাটে গৃহবধূ সাজেদা হত্যায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মেরিনোর নৈপুণ্যে সেমিফাইনালে স্পেন, প্রশংসায় ভাসালেন কোচ দে লা ফুয়েন্তে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শুরুটা খুব একটা আশাব্যঞ্জক না হলেও সময়ের সাথে সাথে নিজেদের শক্তিমত্তা প্রমাণ করে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় তুলে নিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। এই ম্যাচে জয়সূচক গোলটি আসে বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর পা থেকে।

ম্যাচ শেষে স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে তার দলের গভীরতা ও মেরিনোর পারফরম্যান্সের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মিকেল একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়। এমন মানের ফুটবলারকে শুরুর একাদশের বাইরে রাখাটা অত্যন্ত কঠিন, তবে এটি দলের জন্য সৌভাগ্যের বিষয় যে বেঞ্চেও এমন দক্ষ খেলোয়াড় মজুদ রয়েছে। কোচ আরও উল্লেখ করেন, বড় টুর্নামেন্টে সাফল্যের জন্য কেবল ১১ জন খেলোয়াড় যথেষ্ট নয়, বরং পুরো ২৬ জনের স্কোয়াডকেই প্রস্তুত থাকতে হয়।

চলতি বিশ্বকাপে এটি মেরিনোর প্রথম চমক নয়। এর আগে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে পর্তুগালের বিপক্ষেও বদলি নেমে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করেছিলেন আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ৮৮ মিনিটে সেনে লামেন্সের হাত ফসকে আসা বল জালে জড়িয়ে তিনি আবারো দলের ত্রাতা হয়ে ওঠেন। ম্যাচের শুরুতে ফাবিয়ান রুইজ স্পেনকে এগিয়ে দিলেও পরবর্তীতে চার্লস ডি কেটেলারে সমতা ফিরিয়েছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে বদলি গোলরক্ষক লামেন্সের ভুলে স্পেন জয়ের সুযোগ পায়।

সেমিফাইনালে ফ্রান্সের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্পেন। প্রতিপক্ষ নিয়ে কোনো ভীতি নেই জানিয়ে দে লা ফুয়েন্তে আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, ফ্রান্স শক্তিশালী দল হলেও আমরা তাদের হারিয়েছি এবং নিজেদের সামর্থ্যে বিশ্বাস রাখি। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, স্পেনের শক্তির মূল উৎস কোনো একক তারকা নয়, বরং দলের ঐক্য, পারস্পরিক বিশ্বাস এবং মানসিক দৃঢ়তা।