লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কি ত্যাগ করেছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির?

সদ্য শপথ নেওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর কিংবা তাঁর দল বিএনপির পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অথচ সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকলে বাংলাদেশে কারও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। এর আগে তিনি প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি হুমায়ুন কবির তাঁর সাধারণ সবুজ পাসপোর্ট জমা দেন এবং একই মাসে সরকারি বা কূটনৈতিক লাল পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। লাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে তিনি প্রথম সৌদি আরব সফর করেন। গত ছয় মাসে এই সরকারি পাসপোর্ট নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, ভারত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরিশাস ও ফিলিপাইনসহ অন্তত ১১ বার বিদেশ সফর করেছেন।

যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন যে হুমায়ুন কবির মূলত একজন ব্রিটিশ নাগরিক। তবে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ (রিনাউন্স) করেছেন কি না, তা তাঁরা নিশ্চিত করতে পারেননি। বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলোও জানিয়েছে, হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন জানিয়ে কোনো চিঠি পাঠিয়েছেন—এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে গতকাল শনিবার হুমায়ুন কবিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এমনকি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিকেও অনধিক এক-দশমাংশ (১০ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ১ জন) কোটায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা যায়। তবে শর্ত হলো, সেই ব্যক্তিকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হতে হবে। আবার সংবিধানের ৬৬ ধারার ২(গ) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন, তবে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য থাকবেন না।

এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, হুমায়ুন কবির বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না বা ত্যাগের আবেদন করেছেন কি না, তা জাতি জানে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের ওপর নির্ভর করে। শুধু আবেদন করলেই নাগরিকত্ব চলে যায় না, সেই দেশ আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করার পর তা কার্যকর হয়। এই বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে জাতিকে না জানিয়ে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় হুমায়ুন কবিরের প্রতিমন্ত্রী হওয়াটা সাংবিধানিকভাবে বৈধ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করার একাধিক নজির রয়েছে। যেমন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বর্তমান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ তাঁদের মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন। সে সময় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে বিদেশি নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেছিলেন ২৩ জন প্রার্থী। প্রমাণ দেখাতে পারায় নির্বাচন কমিশন তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল।

এর আগে অন্যান্য নির্বাচনের সময়েও এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকার কারণে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের শাম্মী আহম্মেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। ফরিদপুর-৩ আসনে শামীম হকের নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এবং জালিয়াতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি ভোটে অংশ নিয়েছিলেন।

হুমায়ুন কবিরের জন্ম সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার হবসপুর গ্রামে। তবে মাত্র আড়াই বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স, ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজ এবং লিডস ল স্কুল থেকে পৃথক তিনটি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি লন্ডনে মেয়রের দপ্তরসহ ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির রাজনীতির মধ্য দিয়ে হুমায়ুন কবিরের রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি মেয়র অহিদ আহমদ চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হুমায়ুন কবির লেবার পার্টির বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) হিসেবে মনোনীত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালী ও টাঙ্গাইলে সেতুতে অনিয়ম, এলজিইডির তিনজন বরখাস্ত

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কি ত্যাগ করেছেন নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির?

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

সদ্য শপথ নেওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, তা নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর কিংবা তাঁর দল বিএনপির পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অথচ সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকলে বাংলাদেশে কারও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ নেই।

গত শুক্রবার নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। এর আগে তিনি প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি হুমায়ুন কবির তাঁর সাধারণ সবুজ পাসপোর্ট জমা দেন এবং একই মাসে সরকারি বা কূটনৈতিক লাল পাসপোর্ট গ্রহণ করেন। লাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে তিনি প্রথম সৌদি আরব সফর করেন। গত ছয় মাসে এই সরকারি পাসপোর্ট নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, ভারত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরিশাস ও ফিলিপাইনসহ অন্তত ১১ বার বিদেশ সফর করেছেন।

যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন যে হুমায়ুন কবির মূলত একজন ব্রিটিশ নাগরিক। তবে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আগে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ (রিনাউন্স) করেছেন কি না, তা তাঁরা নিশ্চিত করতে পারেননি। বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বশীল সূত্রগুলোও জানিয়েছে, হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন জানিয়ে কোনো চিঠি পাঠিয়েছেন—এমন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে গতকাল শনিবার হুমায়ুন কবিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এমনকি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত সংসদ সদস্য নন এমন ব্যক্তিকেও অনধিক এক-দশমাংশ (১০ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ ১ জন) কোটায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী করা যায়। তবে শর্ত হলো, সেই ব্যক্তিকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হতে হবে। আবার সংবিধানের ৬৬ ধারার ২(গ) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বলা আছে, কোনো ব্যক্তি যদি কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন, তবে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য থাকবেন না।

এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, হুমায়ুন কবির বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না বা ত্যাগের আবেদন করেছেন কি না, তা জাতি জানে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের ওপর নির্ভর করে। শুধু আবেদন করলেই নাগরিকত্ব চলে যায় না, সেই দেশ আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করার পর তা কার্যকর হয়। এই বিষয়গুলো সুস্পষ্টভাবে জাতিকে না জানিয়ে তাঁকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় হুমায়ুন কবিরের প্রতিমন্ত্রী হওয়াটা সাংবিধানিকভাবে বৈধ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করার একাধিক নজির রয়েছে। যেমন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বর্তমান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ তাঁদের মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন। সে সময় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে বিদেশি নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেছিলেন ২৩ জন প্রার্থী। প্রমাণ দেখাতে পারায় নির্বাচন কমিশন তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল।

এর আগে অন্যান্য নির্বাচনের সময়েও এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব থাকার কারণে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের শাম্মী আহম্মেদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। ফরিদপুর-৩ আসনে শামীম হকের নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এবং জালিয়াতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি ভোটে অংশ নিয়েছিলেন।

হুমায়ুন কবিরের জন্ম সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার হবসপুর গ্রামে। তবে মাত্র আড়াই বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাসেক্স থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স, ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজ এবং লিডস ল স্কুল থেকে পৃথক তিনটি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। পেশাগত জীবনে তিনি লন্ডনে মেয়রের দপ্তরসহ ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।

যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির রাজনীতির মধ্য দিয়ে হুমায়ুন কবিরের রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়। টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি মেয়র অহিদ আহমদ চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত হুমায়ুন কবির লেবার পার্টির বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো শাখার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) হিসেবে মনোনীত হন।