লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে রুবিওকে টপকে এগিয়ে ভ্যান্স

ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরি হিসেবে ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অবস্থান দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে। সম্প্রতি ট্রাম্প তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্টের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। চলতি বছর নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে লেখা নতুন স্মৃতিকথার প্রচার, টেলিভিশনে নিয়মিত উপস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনা ও কূটনৈতিক ভূমিকায় ট্রাম্পের নজর কেড়েছেন ভ্যান্স। এর আগে ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে প্রায়ই জানতে চাইতেন যে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে জেডি ভ্যান্স নাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বেশি যোগ্য। তবে ট্রাম্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, ট্রাম্পের সেই মনোভাব এখন অনেকটাই বদলে গেছে।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট এখন আর জিজ্ঞেস করেন না যে জেডি নাকি মার্কো ভালো করছে। বরং তিনি এখন বলেন, জেডিকে তো দারুণ লাগছে, তাই না? ট্রাম্পের এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জানান, জেডি ভ্যান্স নিজের যোগ্যতাবলেই এই অবস্থানে পৌঁছাচ্ছেন এবং ট্রাম্পও সেটি লক্ষ্য করছেন। ওই উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, রুবিও এমনিতেই প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো পরিকল্পনা করেননি এবং এখন সেই সম্ভাবনা আরও কমে গেছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে দ্য ইনডিপেনডেন্ট হোয়াইট হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র dpt বা দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপেও দেখা গেছে, ২০২৮ সালের সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে জেডি ভ্যান্স বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মার্কো রুবিও।

তবে ভ্যান্স নিজে জানিয়েছেন, তিনি এখনই ২০২৮ সালের নির্বাচন নিয়ে ভাবছেন না। আপাতত তাঁর মূল লক্ষ্য হলো আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সহায়তা করা। নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গত জুনে ভ্যান্স বলেছিলেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী উষা একসঙ্গে বসে পরিবারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে একেবারে প্রয়োজন না হলে তিনি কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। গত বছরও ২০২৮ সালের সম্ভাব্য নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ভালোভাবে কাজ করতে পারলে ২০২৭ সালে রাজনীতি নিয়ে কথা বলা যাবে। মাত্র কয়েক মাস দায়িত্ব পালনের পরই পরবর্তী নির্বাচনের প্রচার শুরু করা রাজনীতিবিদদের ওপর মার্কিন জনগণ বিরক্ত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে বড় অঙ্কের নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে জেডি ভ্যান্সের বড় সুবিধা রয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের রানিং মেট হিসেবে ভ্যান্সকে বেছে নেওয়ার পেছনে তাঁর রাজনৈতিক পরামর্শদাতা ও ডানপন্থী বিনিয়োগকারী পিটার থিয়েলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে গুঞ্জন রয়েছে। সিলিকন ভ্যালির সঙ্গে ভ্যান্সের এই ঘনিষ্ঠতা ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাবই ফেলতে পারে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় ধনকুবেরদের ওপর নতুন কর আরোপের প্রস্তাব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে চাকরি হ্রাস ও আবাসন সংকট নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগের কারণে সাবেক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগকারীরা তাঁকে কতটা গ্রহণ করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের সুনজরে থাকলেও ভ্যান্সের সামনে কিছু রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন তিনি। তবে মার্কিন জনগণ ইরানে যুদ্ধের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে নেয়নি এবং অনেকেই জ্বালানির উচ্চমূল্যের জন্য এই সংঘাতকে দায়ী করেন। গত মাসে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প রসিকতা করে বলেছিলেন, এটি কাজ না করলে তিনি এর দায় জেডির ঘাড়েই চাপাবেন। এছাড়া ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠদের সম্পর্ক দ্রুত বদলে যাওয়ার নজির থাকায় আগামী দুই বছরে ভ্যান্স তাঁর আস্থা হারাতেও পারেন। অর্থনৈতিক বিষয়ের পাশাপাশি ক্যাথলিক ধর্মে দীক্ষিত ভ্যান্সের সঙ্গে পোপের প্রকাশ্য মতবিরোধ ট্রাম্পের খ্রিষ্টান সমর্থকদের একাংশকে অসন্তুষ্ট করতে পারে। তাছাড়া অনলাইনে প্রায়ই সমালোচকেরা তাঁর মুখের শিশুসদৃশ ও বিকৃত ছবি ব্যবহার করে বিদ্রূপ করেন।

তবে ভ্যান্সের পক্ষেও কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। তিনি ইতিমধ্যেই নিহত রক্ষণশীল কর্মী চার্লি কার্কের স্ত্রী এরিকা কার্কের প্রকাশ্য সমর্থন পেয়েছেন। চার্লি কার্কের প্রতিষ্ঠিত অলাভজনক সংস্থা ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’ রিপাবলিকান পার্টির তরুণ ভোটারদের মধ্যে অত্যন্ত প্রভাবশালী।

অন্যদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওরও নিজস্ব কিছু শক্তিশালী দিক রয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নীতিগত বিরোধ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পেরেছেন। কিউবার বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে চলমান আলোচনা সফল হলে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলেরই একটি দীর্ঘদিনের বড় পররাষ্ট্রনীতি সফল হবে। এটি রুবিওর নিজ রাজ্য ফ্লোরিডার কিউবান প্রবাসী সম্প্রদায়ের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেবে, যারা ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান সমর্থক। এছাড়া স্প্যানিশভাষী লাতিনো ও কিউবান অভিবাসীর সন্তান হওয়ায় রুবিও ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসনবিরোধী নীতির কারণে দূরে সরে যাওয়া লাতিনো ভোটারদের সমর্থনও ফিরিয়ে আনতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে তাপমাত্রা

ট্রাম্পের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে রুবিওকে টপকে এগিয়ে ভ্যান্স

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:১৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরি হিসেবে ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের অবস্থান দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে। সম্প্রতি ট্রাম্প তাঁর ভাইস প্রেসিডেন্টের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। চলতি বছর নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে লেখা নতুন স্মৃতিকথার প্রচার, টেলিভিশনে নিয়মিত উপস্থিতি এবং ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচনা ও কূটনৈতিক ভূমিকায় ট্রাম্পের নজর কেড়েছেন ভ্যান্স। এর আগে ট্রাম্প তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে প্রায়ই জানতে চাইতেন যে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে জেডি ভ্যান্স নাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বেশি যোগ্য। তবে ট্রাম্প-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, ট্রাম্পের সেই মনোভাব এখন অনেকটাই বদলে গেছে।

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট এখন আর জিজ্ঞেস করেন না যে জেডি নাকি মার্কো ভালো করছে। বরং তিনি এখন বলেন, জেডিকে তো দারুণ লাগছে, তাই না? ট্রাম্পের এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জানান, জেডি ভ্যান্স নিজের যোগ্যতাবলেই এই অবস্থানে পৌঁছাচ্ছেন এবং ট্রাম্পও সেটি লক্ষ্য করছেন। ওই উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, রুবিও এমনিতেই প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনো পরিকল্পনা করেননি এবং এখন সেই সম্ভাবনা আরও কমে গেছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে দ্য ইনডিপেনডেন্ট হোয়াইট হাউস ও মার্কিন পররাষ্ট্র dpt বা দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপেও দেখা গেছে, ২০২৮ সালের সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে জেডি ভ্যান্স বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন মার্কো রুবিও।

তবে ভ্যান্স নিজে জানিয়েছেন, তিনি এখনই ২০২৮ সালের নির্বাচন নিয়ে ভাবছেন না। আপাতত তাঁর মূল লক্ষ্য হলো আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সহায়তা করা। নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে গত জুনে ভ্যান্স বলেছিলেন, তিনি ও তাঁর স্ত্রী উষা একসঙ্গে বসে পরিবারের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে একেবারে প্রয়োজন না হলে তিনি কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। গত বছরও ২০২৮ সালের সম্ভাব্য নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ২০২৫ ও ২০২৬ সালে ভালোভাবে কাজ করতে পারলে ২০২৭ সালে রাজনীতি নিয়ে কথা বলা যাবে। মাত্র কয়েক মাস দায়িত্ব পালনের পরই পরবর্তী নির্বাচনের প্রচার শুরু করা রাজনীতিবিদদের ওপর মার্কিন জনগণ বিরক্ত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে বড় অঙ্কের নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে জেডি ভ্যান্সের বড় সুবিধা রয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের রানিং মেট হিসেবে ভ্যান্সকে বেছে নেওয়ার পেছনে তাঁর রাজনৈতিক পরামর্শদাতা ও ডানপন্থী বিনিয়োগকারী পিটার থিয়েলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে গুঞ্জন রয়েছে। সিলিকন ভ্যালির সঙ্গে ভ্যান্সের এই ঘনিষ্ঠতা ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় প্রভাবই ফেলতে পারে। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় ধনকুবেরদের ওপর নতুন কর আরোপের প্রস্তাব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে চাকরি হ্রাস ও আবাসন সংকট নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগের কারণে সাবেক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল বিনিয়োগকারীরা তাঁকে কতটা গ্রহণ করবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের সুনজরে থাকলেও ভ্যান্সের সামনে কিছু রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন তিনি। তবে মার্কিন জনগণ ইরানে যুদ্ধের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে নেয়নি এবং অনেকেই জ্বালানির উচ্চমূল্যের জন্য এই সংঘাতকে দায়ী করেন। গত মাসে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প রসিকতা করে বলেছিলেন, এটি কাজ না করলে তিনি এর দায় জেডির ঘাড়েই চাপাবেন। এছাড়া ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠদের সম্পর্ক দ্রুত বদলে যাওয়ার নজির থাকায় আগামী দুই বছরে ভ্যান্স তাঁর আস্থা হারাতেও পারেন। অর্থনৈতিক বিষয়ের পাশাপাশি ক্যাথলিক ধর্মে দীক্ষিত ভ্যান্সের সঙ্গে পোপের প্রকাশ্য মতবিরোধ ট্রাম্পের খ্রিষ্টান সমর্থকদের একাংশকে অসন্তুষ্ট করতে পারে। তাছাড়া অনলাইনে প্রায়ই সমালোচকেরা তাঁর মুখের শিশুসদৃশ ও বিকৃত ছবি ব্যবহার করে বিদ্রূপ করেন।

তবে ভ্যান্সের পক্ষেও কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। তিনি ইতিমধ্যেই নিহত রক্ষণশীল কর্মী চার্লি কার্কের স্ত্রী এরিকা কার্কের প্রকাশ্য সমর্থন পেয়েছেন। চার্লি কার্কের প্রতিষ্ঠিত অলাভজনক সংস্থা ‘টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ’ রিপাবলিকান পার্টির তরুণ ভোটারদের মধ্যে অত্যন্ত প্রভাবশালী।

অন্যদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওরও নিজস্ব কিছু শক্তিশালী দিক রয়েছে। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ নীতিগত বিরোধ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পেরেছেন। কিউবার বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর লক্ষ্যে চলমান আলোচনা সফল হলে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলেরই একটি দীর্ঘদিনের বড় পররাষ্ট্রনীতি সফল হবে। এটি রুবিওর নিজ রাজ্য ফ্লোরিডার কিউবান প্রবাসী সম্প্রদায়ের কাছে ইতিবাচক বার্তা দেবে, যারা ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকান সমর্থক। এছাড়া স্প্যানিশভাষী লাতিনো ও কিউবান অভিবাসীর সন্তান হওয়ায় রুবিও ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসনবিরোধী নীতির কারণে দূরে সরে যাওয়া লাতিনো ভোটারদের সমর্থনও ফিরিয়ে আনতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।