লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানকে নরকের দিকে ঠেলে দেয়ার হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তেহরানের সামনে দুটি ভিন্ন পথ খোলা থাকার কথা জানান। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ইরান চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে পুনর্গঠনের সুযোগ নিতে পারে, অথবা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে ভয়াবহ সংঘাতের পথে হাঁটতে হবে।

ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, 'আমি কী তাদের এমন এক নরকের দিকে ঠেলে দেব, যেখানে টিকে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহান হওয়ারও কোনো আশা থাকবে না।' তবে এমন কঠোর হুঁশিয়ারির মধ্যেও তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই এই চুক্তি হতে পারে। তার ভাষ্যমতে, তেহরানের জন্য এই চুক্তিতে রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় আলোচনার পথ প্রশস্ত হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে ইরান যুদ্ধ ছাড়াও ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন, কিউবার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিশ্বজুড়ে আলোচিত নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তি ও উন্নয়নকে আলাদা দেখার সুযোগ নেই: জাতিসংঘ মহাসচিব

ইরানকে নরকের দিকে ঠেলে দেয়ার হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তেহরানের সামনে দুটি ভিন্ন পথ খোলা থাকার কথা জানান। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ইরান চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করে পুনর্গঠনের সুযোগ নিতে পারে, অথবা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলে ভয়াবহ সংঘাতের পথে হাঁটতে হবে।

ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, 'আমি কী তাদের এমন এক নরকের দিকে ঠেলে দেব, যেখানে টিকে থাকার কোনো সুযোগ থাকবে না। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহান হওয়ারও কোনো আশা থাকবে না।' তবে এমন কঠোর হুঁশিয়ারির মধ্যেও তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই এই চুক্তি হতে পারে। তার ভাষ্যমতে, তেহরানের জন্য এই চুক্তিতে রাজি না হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে আছে। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় আলোচনার পথ প্রশস্ত হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে ইরান যুদ্ধ ছাড়াও ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন, কিউবার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিশ্বজুড়ে আলোচিত নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।