লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কে বন্দুক হামলায় আটজনের মৃত্যু, হামলাকারী গ্রেপ্তার

পশ্চিম তুরস্কের আফিওনকারাহিসার প্রদেশে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তল্লাশি অভিযানের মুখে এসকিশেহির প্রদেশ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, আয়াজিনি গ্রামের কাছে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং কিয়ির গ্রামের কাছে আরও তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইউকারিতানদির গ্রামে গুলিবিদ্ধ দুই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। নিহতদের মধ্যে দুজন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলার পর বিভিন্ন স্থান থেকে তিনটি আলাদা গাড়িতে করে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে আফিওনকারাহিসার গভর্নরেট জানিয়েছে, হামলার পরপরই সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তুর্কি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে কালো জ্যাকেট, সাদা প্যান্ট ও চশমা পরা এক ব্যক্তিকে একটি লাল মিনিভ্যানের পাশে হাতে লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। দৈনিক মিলিয়েতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাকারী যে গাড়িটি ব্যবহার করছিলেন তা কাদায় আটকে গেলে তিনি সেটি ফেলে রেখে পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান। ঘটনার পর পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়ে তল্লাশি জোরদার করে, যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর হিমাগারে বিপুল আলু অবিক্রীত, লোকসানের মুখে চাষি ও ব্যবসায়ীরা

তুরস্কে বন্দুক হামলায় আটজনের মৃত্যু, হামলাকারী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

পশ্চিম তুরস্কের আফিওনকারাহিসার প্রদেশে ভয়াবহ গুলির ঘটনায় আটজন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিনের বিভিন্ন সময়ে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক তল্লাশি অভিযানের মুখে এসকিশেহির প্রদেশ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, আয়াজিনি গ্রামের কাছে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং কিয়ির গ্রামের কাছে আরও তিনজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইউকারিতানদির গ্রামে গুলিবিদ্ধ দুই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। নিহতদের মধ্যে দুজন শিক্ষক রয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলার পর বিভিন্ন স্থান থেকে তিনটি আলাদা গাড়িতে করে হতাহতদের উদ্ধার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে আফিওনকারাহিসার গভর্নরেট জানিয়েছে, হামলার পরপরই সরকারি সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তুর্কি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সিসিটিভি ফুটেজে কালো জ্যাকেট, সাদা প্যান্ট ও চশমা পরা এক ব্যক্তিকে একটি লাল মিনিভ্যানের পাশে হাতে লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। দৈনিক মিলিয়েতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলাকারী যে গাড়িটি ব্যবহার করছিলেন তা কাদায় আটকে গেলে তিনি সেটি ফেলে রেখে পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান। ঘটনার পর পুলিশ ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ করে দিয়ে তল্লাশি জোরদার করে, যার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।