লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থনীতির সামনে বহুমুখী ঝুঁকি: চাপ বাড়াচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-অর্থনৈতিক টানাপোড়েন

অর্থনীতির সামনে বহুমুখী ঝুঁকি: চাপ বাড়াচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-অর্থনৈতিক টানাপোড়েন

নিউজ রিপোর্ট:
দেশের অর্থনীতি এখন একাধিক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা, শুল্ক আর বিনিয়োগে কড়াকড়ির প্রভাব পড়ছে সরাসরি রপ্তানি ও বৈদেশিক বিনিয়োগে। এর পাশাপাশি দেশের ভেতরে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া এবং ঋণের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ এই ঝুঁকিগুলো একসঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে দুর্বল করছে। শিল্পখাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, ভোক্তা পর্যায়ে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে, আর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির গতি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বৈশ্বিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে চলতি বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। দ্বিতীয় বৃহত্তম ঝুঁকি হিসেবে উঠে এসেছে ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ, যা শুধু কূটনৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রবাহেও প্রভাব ফেলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ঝুঁকি সময়মতো শনাক্ত করে কার্যকর নীতিগত সিদ্ধান্ত না নিলে অর্থনীতির ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কৌশলগত অবস্থান সুদৃঢ় করাই হতে পারে সামনে এগোনোর প্রধান পথ।
তাঁদের মতে, দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে আবার স্থিতিশীল ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নইলে এই ঝুঁকিগুলো দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-রাশিয়া বিজনেস কাউন্সিল গঠনে আগ্রহী মস্কো

অর্থনীতির সামনে বহুমুখী ঝুঁকি: চাপ বাড়াচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-অর্থনৈতিক টানাপোড়েন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

অর্থনীতির সামনে বহুমুখী ঝুঁকি: চাপ বাড়াচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, মূল্যস্ফীতি ও ভূ-অর্থনৈতিক টানাপোড়েন

নিউজ রিপোর্ট:
দেশের অর্থনীতি এখন একাধিক বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা, শুল্ক আর বিনিয়োগে কড়াকড়ির প্রভাব পড়ছে সরাসরি রপ্তানি ও বৈদেশিক বিনিয়োগে। এর পাশাপাশি দেশের ভেতরে বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া এবং ঋণের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ এই ঝুঁকিগুলো একসঙ্গে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে দুর্বল করছে। শিল্পখাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে, ভোক্তা পর্যায়ে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে, আর বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির গতি ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বৈশ্বিক ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে চলতি বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। দ্বিতীয় বৃহত্তম ঝুঁকি হিসেবে উঠে এসেছে ভূ-অর্থনৈতিক বিরোধ, যা শুধু কূটনৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না থেকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রবাহেও প্রভাব ফেলছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ঝুঁকি সময়মতো শনাক্ত করে কার্যকর নীতিগত সিদ্ধান্ত না নিলে অর্থনীতির ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। অর্থনৈতিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অবৈধ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কৌশলগত অবস্থান সুদৃঢ় করাই হতে পারে সামনে এগোনোর প্রধান পথ।
তাঁদের মতে, দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে আবার স্থিতিশীল ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নইলে এই ঝুঁকিগুলো দীর্ঘমেয়াদে দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাকে ব্যাহত করতে পারে।