লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই বছরেই ৩০ পারা হিফজ সম্পন্ন—পঞ্চগড়ের ফাতেমাকে ঘিরে আনন্দের জোয়ার

পঞ্চগড়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার (১৪)। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট এলাকার হাবিবা জান্নাত মদিনাতুল উলুম বালিকা মাদরাসায় তার এই অসাধারণ অর্জনকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা এবং উপহার প্রদান করা হয় ফাতেমাকে। একই সঙ্গে তার বাবা-মাকেও সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে সুসজ্জিত মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল বহরের মাধ্যমে তাকে রাজকীয়ভাবে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
গ্রামবাসীরাও উচ্ছ্বাসে ভাসেন—বাড়ির সামনে গেট নির্মাণ, ফুল দিয়ে বরণ এবং মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।
ফাতেমা জানায়, শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও যত্নশীল পাঠদানের ফলেই তার এই সাফল্য। ভবিষ্যতে একজন আলেমা হয়ে দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় সে।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, অল্প সময়েই এমন সাফল্য ফাতেমার মেধা ও অধ্যবসায়ের প্রমাণ। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৬৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও কয়েকজন হিফজ সম্পন্ন করবে।
এমন সাফল্যে গর্বিত পরিবার, শিক্ষক ও পুরো এলাকাবাসী। সকলেই ফাতেমার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে যুবককে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা

দুই বছরেই ৩০ পারা হিফজ সম্পন্ন—পঞ্চগড়ের ফাতেমাকে ঘিরে আনন্দের জোয়ার

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:২১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পঞ্চগড়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার (১৪)। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই পবিত্র কোরআনের ৩০ পারা মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট এলাকার হাবিবা জান্নাত মদিনাতুল উলুম বালিকা মাদরাসায় তার এই অসাধারণ অর্জনকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা এবং উপহার প্রদান করা হয় ফাতেমাকে। একই সঙ্গে তার বাবা-মাকেও সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে সুসজ্জিত মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল বহরের মাধ্যমে তাকে রাজকীয়ভাবে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
গ্রামবাসীরাও উচ্ছ্বাসে ভাসেন—বাড়ির সামনে গেট নির্মাণ, ফুল দিয়ে বরণ এবং মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।
ফাতেমা জানায়, শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা ও যত্নশীল পাঠদানের ফলেই তার এই সাফল্য। ভবিষ্যতে একজন আলেমা হয়ে দ্বীনের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত করতে চায় সে।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, অল্প সময়েই এমন সাফল্য ফাতেমার মেধা ও অধ্যবসায়ের প্রমাণ। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ৬৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও কয়েকজন হিফজ সম্পন্ন করবে।
এমন সাফল্যে গর্বিত পরিবার, শিক্ষক ও পুরো এলাকাবাসী। সকলেই ফাতেমার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করেছেন।