লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: সন্তানের পর মারা গেলেন মা, বাবা সংকটাপন্ন

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মা বিউটি (২৪)। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওনবিন রহমান। এর আগে গত শনিবার দুপুরে একই ঘটনায় দগ্ধ আট বছর বয়সী শিশু মারুফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। সন্তানের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই সোমবার সকালে মারা গেলেন মা বিউটি।

গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলি এলাকায় সেলিম মিয়ার টিনশেড বাসায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা শিশু মারুফ, তার বাবা মাইদুল (২৪) এবং মা বিউটি দগ্ধ হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে শিশু মারুফের শরীরের ৯০ শতাংশ, বাবা মাইদুলের ৮৫ শতাংশ এবং মা বিউটির শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে মাইদুল ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থাও বর্তমানে আশঙ্কাজনক।

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে গৃহবধূ আহত, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণ: সন্তানের পর মারা গেলেন মা, বাবা সংকটাপন্ন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে দগ্ধ হওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মা বিউটি (২৪)। সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওনবিন রহমান। এর আগে গত শনিবার দুপুরে একই ঘটনায় দগ্ধ আট বছর বয়সী শিশু মারুফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। সন্তানের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই সোমবার সকালে মারা গেলেন মা বিউটি।

গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলি এলাকায় সেলিম মিয়ার টিনশেড বাসায় এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে ঘরে থাকা শিশু মারুফ, তার বাবা মাইদুল (২৪) এবং মা বিউটি দগ্ধ হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে শিশু মারুফের শরীরের ৯০ শতাংশ, বাবা মাইদুলের ৮৫ শতাংশ এবং মা বিউটির শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। বর্তমানে মাইদুল ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থাও বর্তমানে আশঙ্কাজনক।