লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লোগো উন্মোচন

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমেই আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হলো।

শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লোগোটি উন্মোচন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি এবং দলটির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন এবং শারমিন সুলতানার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা। বাহারুল ইসলাম মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের পর দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাবগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব অন্যতম। তিনি সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনকে স্মরণীয় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, এই ৫০ বছর পূর্তিকে কেবল প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠান নয়, বরং পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উৎসবে পরিণত করতে হবে। তিনি এই আয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকায় বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদেরও সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। এছাড়া সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রেসক্লাব পরিচালনাকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, আইন কলেজের অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল্লাহ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন এবং সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি।

এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সাংবাদিক মনজুরুল আলম, কবি জয়দুল হোসেন, শেখ শহিদুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, আল আমিন শাহিন, পীযুষ কান্তি আচার্য্য, দীপক চৌধুরী বাপ্পী, আবদুন নূর, শাহাদৎ হোসেন ও আশেক মান্নান হিমেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ওয়াসিকুর রহমান মোস্তাক মোল্লা, দেওয়ান দিদারুল আলম ও খাইরুল হাসানকে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্যপদ প্রদান করেন। সবশেষে প্রেসক্লাবের ইতিহাস ও কার্যক্রম নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুডিশিয়াল পে কমিশন পর্যালোচনায় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন কমিটি গঠন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের লোগো উন্মোচন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৩২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। এই আয়োজনের মাধ্যমেই আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় প্রেসক্লাবের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হলো।

শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে লোগোটি উন্মোচন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি এবং দলটির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন এবং শারমিন সুলতানার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা। বাহারুল ইসলাম মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের পর দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাবগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব অন্যতম। তিনি সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনকে স্মরণীয় করে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, এই ৫০ বছর পূর্তিকে কেবল প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠান নয়, বরং পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উৎসবে পরিণত করতে হবে। তিনি এই আয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঢাকায় বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাংবাদিকদেরও সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। এছাড়া সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রেসক্লাব পরিচালনাকে তিনি প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম ইতিবাচক দিক হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মো. নোমান মিয়া, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান খন্দকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দে, আইন কলেজের অধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মো. হাবিবুল্লাহ, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জহিরুল হক খোকন এবং সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি।

এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরজু, সাংবাদিক মনজুরুল আলম, কবি জয়দুল হোসেন, শেখ শহিদুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, আল আমিন শাহিন, পীযুষ কান্তি আচার্য্য, দীপক চৌধুরী বাপ্পী, আবদুন নূর, শাহাদৎ হোসেন ও আশেক মান্নান হিমেল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ওয়াসিকুর রহমান মোস্তাক মোল্লা, দেওয়ান দিদারুল আলম ও খাইরুল হাসানকে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্যপদ প্রদান করেন। সবশেষে প্রেসক্লাবের ইতিহাস ও কার্যক্রম নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।