লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাণীর সুরক্ষায় ইসলাম যা বলে: কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা

ইসলাম ধর্ম প্রাণিজগতকে এই পৃথিবীর অন্যতম সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির প্রতীক হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে প্রাণিকুলের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, এমনকি অনেক সুরার নামকরণও করা হয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর নামানুসারে। মহান আল্লাহ বলেন, প্রাণিকুল সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো এগুলো মানুষের আরোহণের কাজে আসে এবং এগুলো পৃথিবীর সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে বিদ্যমান। (সুরা নাহল : ৮)।

কোরআনে প্রাণিজগতকে মানুষের মতো স্বতন্ত্র জাতিসত্তার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, পৃথিবীতে বিচরণশীল যত প্রাণী এবং দুই ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো যত পাখি আছে, তারা সবাই তোমাদের মতো একেকটি জাতি। (সুরা আনআম : ৩৮)।

ইসলামে পশুপাখির প্রতি নিষ্ঠুরতা এবং তাদের অঙ্গহানি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ওই ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন, যে প্রাণীদের অঙ্গচ্ছেদ করে। (বোখারি : ৫১৯৫)।

বাক-শক্তিহীন এই প্রাণীদের প্রতি সদয় হওয়ার নির্দেশ দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা এসব প্রাণীর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। সুস্থ অবস্থায় এগুলোকে আরোহণের কাজে ব্যবহার করো এবং সুস্থ থাকা অবস্থায় এদের আহার করাও। (সুনানে আবি দাউদ : ২৫৪৮)। এছাড়া অহেতুক পশুপাখির পেছনে লেগে থাকা কিংবা বিনোদনের জন্য অযথা শিকার করা ইসলামে নিন্দনীয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা কোনো প্রাণীকে লক্ষ্যবস্তু বানিও না। (মুসলিম : ১৯৫৭)।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার দেশ-এর নামে জামায়াত নেতা তাহেরকে নিয়ে ভুয়া ফটোকার্ড

প্রাণীর সুরক্ষায় ইসলাম যা বলে: কোরআন ও হাদিসের নির্দেশনা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৯:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ইসলাম ধর্ম প্রাণিজগতকে এই পৃথিবীর অন্যতম সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির প্রতীক হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে প্রাণিকুলের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, এমনকি অনেক সুরার নামকরণও করা হয়েছে বিভিন্ন প্রাণীর নামানুসারে। মহান আল্লাহ বলেন, প্রাণিকুল সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো এগুলো মানুষের আরোহণের কাজে আসে এবং এগুলো পৃথিবীর সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে বিদ্যমান। (সুরা নাহল : ৮)।

কোরআনে প্রাণিজগতকে মানুষের মতো স্বতন্ত্র জাতিসত্তার স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, পৃথিবীতে বিচরণশীল যত প্রাণী এবং দুই ডানা মেলে উড়ে বেড়ানো যত পাখি আছে, তারা সবাই তোমাদের মতো একেকটি জাতি। (সুরা আনআম : ৩৮)।

ইসলামে পশুপাখির প্রতি নিষ্ঠুরতা এবং তাদের অঙ্গহানি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ওই ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন, যে প্রাণীদের অঙ্গচ্ছেদ করে। (বোখারি : ৫১৯৫)।

বাক-শক্তিহীন এই প্রাণীদের প্রতি সদয় হওয়ার নির্দেশ দিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা এসব প্রাণীর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। সুস্থ অবস্থায় এগুলোকে আরোহণের কাজে ব্যবহার করো এবং সুস্থ থাকা অবস্থায় এদের আহার করাও। (সুনানে আবি দাউদ : ২৫৪৮)। এছাড়া অহেতুক পশুপাখির পেছনে লেগে থাকা কিংবা বিনোদনের জন্য অযথা শিকার করা ইসলামে নিন্দনীয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা কোনো প্রাণীকে লক্ষ্যবস্তু বানিও না। (মুসলিম : ১৯৫৭)।