লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিদ্দিক বাজারে দোকানি হত্যা মামলায় ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন

ঢাকার বংশাল থানার সিদ্দিক বাজার এলাকায় মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুসকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছিনতাইকারী মাসুম মিয়া ওরফে কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতেই রায় পড়া হয়। রায় শেষে দণ্ডিত মাসুমকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, কামরাঙ্গীচরের মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুস ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টার দিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে নিজের গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। তিনি রিকশায় করে বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলেন। ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বংশাল থানাধীন সিদ্দিক বাজার এলাকায় পৌঁছালে দুই ছিনতাইকারী তার রিকশার গতি রোধ করে। তারা আব্দুল কুদ্দুসকে ছুরিকাঘাত করে তার কাছে থাকা সবকিছু ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ঘটনার দিনই নিহত আব্দুল কুদ্দুসের চাচাতো ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে ওই বছরের ১০ নভেম্বর দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহীদুল ইসলাম। এরপর ২০১৭ সালের ৭ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আজ এ রায় ঘোষণা করলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নীলফামারীতে এমপির সামনেই সাঁকো ভেঙে নদীতে পড়লেন নেতাকর্মীরা

সিদ্দিক বাজারে দোকানি হত্যা মামলায় ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৩০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার বংশাল থানার সিদ্দিক বাজার এলাকায় মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুসকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছিনতাইকারী মাসুম মিয়া ওরফে কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি ইউনুস মিয়াকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবিব বাপ্পী এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতেই রায় পড়া হয়। রায় শেষে দণ্ডিত মাসুমকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, কামরাঙ্গীচরের মুদি দোকানি আব্দুল কুদ্দুস ২০১৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টার দিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে নিজের গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। তিনি রিকশায় করে বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলেন। ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বংশাল থানাধীন সিদ্দিক বাজার এলাকায় পৌঁছালে দুই ছিনতাইকারী তার রিকশার গতি রোধ করে। তারা আব্দুল কুদ্দুসকে ছুরিকাঘাত করে তার কাছে থাকা সবকিছু ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ঘটনার দিনই নিহত আব্দুল কুদ্দুসের চাচাতো ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার তদন্ত শেষে ওই বছরের ১০ নভেম্বর দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শহীদুল ইসলাম। এরপর ২০১৭ সালের ৭ মার্চ দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আজ এ রায় ঘোষণা করলেন।