লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে গুলিতে দুইজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝি বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের জের ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে সেতারা বেগম ও খলিল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এই ঘটনায় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিলেন। জানা গেছে, আহতদের মধ্যে পাঁচজন এখনও অসুস্থ রয়েছেন। ঘটনার পর আবদুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন, যা জিআর নম্বর ৪৯৯/১৩ হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ

নোয়াখালীতে জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামির মৃত্যুদণ্ড, দুইজন খালাস

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৫:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে গুলিতে দুইজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা জোড়া খুনের মামলায় প্রধান আসামি সবুজকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর অতিরিক্ত দায়রা জজ-২য় আদালতের বিচারক তৌহিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় অভিযুক্ত অপর দুই আসামি পারুল ও ফরহাদকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল বেগমগঞ্জ উপজেলার জগদীশপুর গ্রামের মনু মিঝি বাড়িতে পুকুরের সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এই বিরোধের জের ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সবুজের নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে সেতারা বেগম ও খলিল ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

এই ঘটনায় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিলেন। জানা গেছে, আহতদের মধ্যে পাঁচজন এখনও অসুস্থ রয়েছেন। ঘটনার পর আবদুস সহিদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন, যা জিআর নম্বর ৪৯৯/১৩ হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।