লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত-বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেকড় গভীরভাবে জড়িয়ে আছে

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেকড় একে অপরের সঙ্গে অত্যন্ত গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, অভিন্ন ইতিহাসের এই সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে উভয় দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্ব ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা, যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ তাদের অংশীদারত্ব এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

হাইকমিশনার আরও বলেন, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কই এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত প্রাণস্পন্দন। তিনি ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ভারতের অব্যাহত অগ্রগতি, ঐক্য ও সমৃদ্ধির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার আহ্বান জানান। এছাড়া অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের এই অনন্য বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতীয়দের উদ্দেশে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণে সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে একটি সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই স্বাধীনতার প্রকৃত সার্থকতা। তিনি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে উন্নয়নের সুফল প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি যোগ করেন, ‘বয়ম রাষ্ট্রেই জাগ্রুয়াম’—এই বেদবাক্যটি প্রেরণা জোগায় যেন দেশের অগ্রণী বা রক্ষক হিসেবে সবাই সর্বদা সচেতন থাকে। সমাজের অংশগ্রহণ এবং সরকারের সহযোগিতায় ভারতের প্রতিটি ঘরে বসবাসকারী মানুষ সুখী ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ অনুভূতি নিয়ে সবাইকে স্বাধীন ভারতকে একটি বিকশিত ভারতে রূপান্তরিত করার জাতীয় সংকল্পে উৎসর্গ করার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিল গেটস কন্যার স্টার্টআপে প্রতারণার অভিযোগ, সহপাঠীদের বিস্ফোরক তথ্য

ভারত-বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেকড় গভীরভাবে জড়িয়ে আছে

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের শেকড় একে অপরের সঙ্গে অত্যন্ত গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, অভিন্ন ইতিহাসের এই সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে উভয় দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্ব ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা, যোগাযোগ এবং বাণিজ্যের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ তাদের অংশীদারত্ব এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

হাইকমিশনার আরও বলেন, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কই এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত প্রাণস্পন্দন। তিনি ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ভারতের অব্যাহত অগ্রগতি, ঐক্য ও সমৃদ্ধির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার আহ্বান জানান। এছাড়া অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বের এই অনন্য বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতীয়দের উদ্দেশে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণে সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে একটি সর্বশ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই স্বাধীনতার প্রকৃত সার্থকতা। তিনি বলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে উন্নয়নের সুফল প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

তিনি যোগ করেন, ‘বয়ম রাষ্ট্রেই জাগ্রুয়াম’—এই বেদবাক্যটি প্রেরণা জোগায় যেন দেশের অগ্রণী বা রক্ষক হিসেবে সবাই সর্বদা সচেতন থাকে। সমাজের অংশগ্রহণ এবং সরকারের সহযোগিতায় ভারতের প্রতিটি ঘরে বসবাসকারী মানুষ সুখী ও সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিশেষে, দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ অনুভূতি নিয়ে সবাইকে স্বাধীন ভারতকে একটি বিকশিত ভারতে রূপান্তরিত করার জাতীয় সংকল্পে উৎসর্গ করার আহ্বান জানান তিনি।