লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের বিষয়ে এখনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম। রবিবার (১৬ আগস্ট) তিনি এ তথ্য জানান।

মুখপাত্র বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।”

এ কে এম শহীদুল করিম আরও জানান, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক আসামিকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, “সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডের গ্রিন শিপইয়ার্ডে তকমার আড়ালে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল

তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:২২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের বিষয়ে এখনো অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম। রবিবার (১৬ আগস্ট) তিনি এ তথ্য জানান।

মুখপাত্র বলেন, “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।”

এ কে এম শহীদুল করিম আরও জানান, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য পলাতক আসামিকে দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, “সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে।”