লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনপুরায় নতুন কুঁড়ির ১ লাখ টাকা উধাও, ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ

ভোলার মনপুরায় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছার বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও সদস্য হোসেন হাওলাদার এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তারা সরকারি বরাদ্দের অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশের পাশাপাশি একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের বিষয়ে ইউএনও মো. আবু মুছা তার সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা যোগাযোগ করেননি। তিনি নিজ উদ্যোগে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তা কেবল তিনিই বলতে পারবেন।

ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হোসেন হাওলাদার জানান, ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ২৭ জন খেলোয়াড়ের ভোলা যাতায়াতের জন্য ইউএনও মো. আবু মুছা ২৬ হাজার টাকা প্রদান করেছেন। তবে বাকি অর্থের খরচের বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের জন্য ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ভোলায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে মনপুরায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। ভোলা জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম জানান, সরকারিভাবে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পাশাপাশি খেলোয়াড়দের যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়ার জন্য জেলা থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছা। তিনি বলেন, জেলা থেকে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রচারের জন্য। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া ১ লাখ টাকা সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. শামীম রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীর ওপর ছিনতাইকারীর হাম/লা, রগ কে/টে দেওয়ার অভিযোগ

মনপুরায় নতুন কুঁড়ির ১ লাখ টাকা উধাও, ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার মনপুরায় জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছার বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন ও সদস্য হোসেন হাওলাদার এই অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। তারা সরকারি বরাদ্দের অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশের পাশাপাশি একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহীন জানান, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের বিষয়ে ইউএনও মো. আবু মুছা তার সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা যোগাযোগ করেননি। তিনি নিজ উদ্যোগে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং এই অর্থ কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তা কেবল তিনিই বলতে পারবেন।

ক্রীড়া সংস্থার সদস্য হোসেন হাওলাদার জানান, ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ২৭ জন খেলোয়াড়ের ভোলা যাতায়াতের জন্য ইউএনও মো. আবু মুছা ২৬ হাজার টাকা প্রদান করেছেন। তবে বাকি অর্থের খরচের বিষয়ে তিনি অবগত নন। তিনি সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

ভোলা জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের জন্য ১ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ভোলায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের যাতায়াত, থাকা ও খাওয়ার জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে আরও ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে মনপুরায় মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। ভোলা জেলা ক্রীড়া কার্যালয়ের উপপরিচালক সাইদুল ইসলাম জানান, সরকারিভাবে ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পাশাপাশি খেলোয়াড়দের যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়ার জন্য জেলা থেকে নগদ ২৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. আবু মুছা। তিনি বলেন, জেলা থেকে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রচারের জন্য। তবে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া ১ লাখ টাকা সম্পর্কে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. শামীম রহমান জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।