লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকট নিরসনে ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জামায়াতের

বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের কাছে ৯০ দিনের মধ্যে বিরোধী দলের দেওয়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, সংকট নিরসনে বিরোধী দলের দেওয়া ১০ দফা সুপারিশ গত ২১ মে থেকেই সরকারের কাছে রয়েছে, তাই নতুন পরিকল্পনা তৈরির বদলে বিদ্যমান সুপারিশগুলো দ্রুত কার্যকর করা জরুরি।

রবিবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ দাবি জানান। তিনি বলেন, গত ২১ মে জাতীয় সংসদের জ্বালানি সংকট-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা লিখিতভাবে ১০ দফা সুপারিশ জমা দিয়েছিলেন, যা পরে ৭ জুন জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে উপস্থাপন করেন। ফলে সরকারের সামনে সংকট সমাধানের করণীয় সম্পর্কে কোনো ঘাটতি নেই।

জামায়াতের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে দ্রুত ওয়ার্কওভার, ভোলা, জামালপুর ও জকিগঞ্জের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা, স্থল ও সমুদ্রভাগে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার এবং বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি। এছাড়া সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) কার্যকর, ডিজিটাল মনিটরিং এবং রুফটপ সোলার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, ৯০ দিনের মধ্যে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান বা বড় পাইপলাইন নির্মাণ সম্ভব না হলেও গ্যাসকূপের ওয়ার্কওভার শুরু, বন্ধ কূপের তালিকা প্রকাশ, ভোলার গ্যাসের ব্যবহার এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শুধু নতুন এফএসআরইউ নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়; এর সঙ্গে এলএনজি আমদানির সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় এবং বিদ্যমান পাইপলাইন অবকাঠামো বিবেচনা করতে হবে। জামায়াত একটি ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি এনার্জি সেল’ গঠন, জরুরি ওয়ার্কওভারের অনুমোদন সহজ করা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে মহেশখালী ও পায়রা প্রকল্পের অগ্রগতি এবং খুলনার রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

সরকার, বিরোধী দল, পেট্রোবাংলা, বাপেক্স, বিপিডিবি, প্রকৌশলী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি যৌথ বাস্তবায়ন কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত। ৯০ দিন পর জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অগ্রগতির প্রতিবেদন উপস্থাপনের দাবিও জানানো হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ‘পরিকল্পনা দিন’ আহ্বানের জবাবে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, পরিকল্পনা ২১ মে থেকেই সরকারের কাছে আছে। তিনি বিরোধী দলের ১০ দফা ও সংসদীয় বিশেষ কমিটির ১২ দফাকে সামনে রেখে অবিলম্বে একটি যৌথ বাস্তবায়ন কাঠামো গঠনের আহ্বান জানান। তার প্রস্তাব, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার ব্যবস্থা করে ৯০

জনপ্রিয় সংবাদ

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীর ওপর ছিনতাইকারীর হাম/লা, রগ কে/টে দেওয়ার অভিযোগ

জ্বালানি সংকট নিরসনে ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জামায়াতের

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের কাছে ৯০ দিনের মধ্যে বিরোধী দলের দেওয়া কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, সংকট নিরসনে বিরোধী দলের দেওয়া ১০ দফা সুপারিশ গত ২১ মে থেকেই সরকারের কাছে রয়েছে, তাই নতুন পরিকল্পনা তৈরির বদলে বিদ্যমান সুপারিশগুলো দ্রুত কার্যকর করা জরুরি।

রবিবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ দাবি জানান। তিনি বলেন, গত ২১ মে জাতীয় সংসদের জ্বালানি সংকট-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা লিখিতভাবে ১০ দফা সুপারিশ জমা দিয়েছিলেন, যা পরে ৭ জুন জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে উপস্থাপন করেন। ফলে সরকারের সামনে সংকট সমাধানের করণীয় সম্পর্কে কোনো ঘাটতি নেই।

জামায়াতের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে দ্রুত ওয়ার্কওভার, ভোলা, জামালপুর ও জকিগঞ্জের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা, স্থল ও সমুদ্রভাগে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার এবং বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি। এছাড়া সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) কার্যকর, ডিজিটাল মনিটরিং এবং রুফটপ সোলার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, ৯০ দিনের মধ্যে নতুন গ্যাস অনুসন্ধান বা বড় পাইপলাইন নির্মাণ সম্ভব না হলেও গ্যাসকূপের ওয়ার্কওভার শুরু, বন্ধ কূপের তালিকা প্রকাশ, ভোলার গ্যাসের ব্যবহার এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শুধু নতুন এফএসআরইউ নির্মাণের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়; এর সঙ্গে এলএনজি আমদানির সক্ষমতা, বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় এবং বিদ্যমান পাইপলাইন অবকাঠামো বিবেচনা করতে হবে। জামায়াত একটি ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি এনার্জি সেল’ গঠন, জরুরি ওয়ার্কওভারের অনুমোদন সহজ করা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে মহেশখালী ও পায়রা প্রকল্পের অগ্রগতি এবং খুলনার রূপসা ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু না হওয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

সরকার, বিরোধী দল, পেট্রোবাংলা, বাপেক্স, বিপিডিবি, প্রকৌশলী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি যৌথ বাস্তবায়ন কাঠামো গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে জামায়াত। ৯০ দিন পর জাতীয় সংসদে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অগ্রগতির প্রতিবেদন উপস্থাপনের দাবিও জানানো হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ‘পরিকল্পনা দিন’ আহ্বানের জবাবে জামায়াতের সেক্রেটারি বলেন, পরিকল্পনা ২১ মে থেকেই সরকারের কাছে আছে। তিনি বিরোধী দলের ১০ দফা ও সংসদীয় বিশেষ কমিটির ১২ দফাকে সামনে রেখে অবিলম্বে একটি যৌথ বাস্তবায়ন কাঠামো গঠনের আহ্বান জানান। তার প্রস্তাব, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার ব্যবস্থা করে ৯০