লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন মাস কাদায় আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করলেন ইউএনও

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে গত তিন মাস ধরে কাদার মধ্যে আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন। স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রোববার রাতে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন এবং সেগুলোকে বাড়ির পাশে শুকনা জায়গায় রাখার ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত ফজর আলীর ছেলে আবদুল আলিম তাঁর চারটি মহিষ বাড়ির পাশে প্রচণ্ড কাদার মধ্যে আটকে রেখেছিলেন। বর্ষা মৌসুমের তিন মাস ধরে মহিষগুলো সারাক্ষণ ওই কাদার মধ্যেই ছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা বারবার অনুরোধ করলেও আলিম কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর দুরবস্থার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টি ইউএনওর নজরে আসে।

উদ্ধারের সময় আবদুল আলিম বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর মা সত্য খাতুন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাণীগুলোকে কষ্ট না দিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলা হলেও আলিম তা শোনেননি। বাড়ির নারীরা ভয়ে মহিষগুলোর কাছে যেতে না পারায় সেগুলো সরানো সম্ভব হচ্ছিল না।

মহিষগুলো উদ্ধারের পর ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন মালিকের পরিবারকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মহিষগুলোর জন্য নিরাপদ জায়গা ও পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই প্রাণীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

গত তিন মাস সেই কাদার মধ্যে ২৪ ঘণ্টা বাঁধা ছিল আবদুল আলিমের চারটি মহিষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে নবনিযুক্ত সিভিল সার্জনের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে কার্যালয় অবরোধ

তিন মাস কাদায় আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করলেন ইউএনও

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে গত তিন মাস ধরে কাদার মধ্যে আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন। স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রোববার রাতে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন এবং সেগুলোকে বাড়ির পাশে শুকনা জায়গায় রাখার ব্যবস্থা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মৃত ফজর আলীর ছেলে আবদুল আলিম তাঁর চারটি মহিষ বাড়ির পাশে প্রচণ্ড কাদার মধ্যে আটকে রেখেছিলেন। বর্ষা মৌসুমের তিন মাস ধরে মহিষগুলো সারাক্ষণ ওই কাদার মধ্যেই ছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়রা বারবার অনুরোধ করলেও আলিম কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর দুরবস্থার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করলে বিষয়টি ইউএনওর নজরে আসে।

উদ্ধারের সময় আবদুল আলিম বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর মা সত্য খাতুন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাণীগুলোকে কষ্ট না দিয়ে বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলা হলেও আলিম তা শোনেননি। বাড়ির নারীরা ভয়ে মহিষগুলোর কাছে যেতে না পারায় সেগুলো সরানো সম্ভব হচ্ছিল না।

মহিষগুলো উদ্ধারের পর ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন মালিকের পরিবারকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মহিষগুলোর জন্য নিরাপদ জায়গা ও পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই প্রাণীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

গত তিন মাস সেই কাদার মধ্যে ২৪ ঘণ্টা বাঁধা ছিল আবদুল আলিমের চারটি মহিষ।