লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চবির নতুন কলা ভবনে জেনারেটর বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবন উদ্বোধনের পর থেকেই বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা জেনারেটরের অভাব, সিসিটিভি ক্যামেরার স্বল্পতা, ওয়াই-ফাই ব্যান্ডউইথ সংকট ও নিরাপত্তাকর্মীর অভাবের মতো সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থী ফাতেমা অভিযোগ করেন, নতুন ভবনে ওয়াই-ফাইয়ের গতি কম এবং ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটরের অভাবে শ্রেণি কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। এছাড়া শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও প্রজেক্টরের অভাব এবং প্রধান ফটকে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকা নিয়ে তিনি নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। আরেক শিক্ষার্থী নাহিদ অডিটোরিয়ামের অসম্পূর্ণ কাজ ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় তীব্র গরমের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জেনারেটর বা ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, এসব সমস্যার সমাধানের সুযোগ সংশ্লিষ্ট অনুষদ ও ডিনের রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াই-ফাইয়ের মতো বিষয়গুলো ডিনরা উদ্যোগ নিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারেন। জেনারেটরের বিষয়ে তিনি জানান, নতুন ভবনের জন্য ইতোমধ্যে জেনারেটরের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। তবে জেনারেটর নিয়মিত চালানোয় অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ ও এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা নিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

অন্যদিকে, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, নতুন ভবনে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নত হলেও ব্যান্ডউইথের সীমাবদ্ধতা কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিষয়। পুরো ভবনের জন্য জেনারেটর স্থাপনের দাবিকে তিনি বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন। তিনি জানান, ডিন অফিসেও জেনারেটর নেই এবং বিভিন্ন বিভাগ নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী আইপিএস ব্যবহার করছে। শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা জেনারেটর স্থাপনে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সক্ষমতা ও ব্যয় প্রয়োজন, তা বর্তমানে সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

খালাস পেয়ে ৭ বছরের কন্যাসন্তানসহ মুক্তি পেলেন কামরুন নাহার মনি

চবির নতুন কলা ভবনে জেনারেটর বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবন উদ্বোধনের পর থেকেই বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা জেনারেটরের অভাব, সিসিটিভি ক্যামেরার স্বল্পতা, ওয়াই-ফাই ব্যান্ডউইথ সংকট ও নিরাপত্তাকর্মীর অভাবের মতো সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থী ফাতেমা অভিযোগ করেন, নতুন ভবনে ওয়াই-ফাইয়ের গতি কম এবং ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জেনারেটরের অভাবে শ্রেণি কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটছে। এছাড়া শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও প্রজেক্টরের অভাব এবং প্রধান ফটকে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকা নিয়ে তিনি নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন। আরেক শিক্ষার্থী নাহিদ অডিটোরিয়ামের অসম্পূর্ণ কাজ ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় তীব্র গরমের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জেনারেটর বা ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, এসব সমস্যার সমাধানের সুযোগ সংশ্লিষ্ট অনুষদ ও ডিনের রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়াই-ফাইয়ের মতো বিষয়গুলো ডিনরা উদ্যোগ নিয়ে বাস্তবায়ন করতে পারেন। জেনারেটরের বিষয়ে তিনি জানান, নতুন ভবনের জন্য ইতোমধ্যে জেনারেটরের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। তবে জেনারেটর নিয়মিত চালানোয় অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ ও এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা নিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

অন্যদিকে, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, নতুন ভবনে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো উন্নত হলেও ব্যান্ডউইথের সীমাবদ্ধতা কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের বিষয়। পুরো ভবনের জন্য জেনারেটর স্থাপনের দাবিকে তিনি বাস্তবসম্মত নয় বলে মনে করেন। তিনি জানান, ডিন অফিসেও জেনারেটর নেই এবং বিভিন্ন বিভাগ নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী আইপিএস ব্যবহার করছে। শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা জেনারেটর স্থাপনে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সক্ষমতা ও ব্যয় প্রয়োজন, তা বর্তমানে সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।