লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এয়ারবাস কেনা গুরুত্বপূর্ণ: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এয়ারবাস কেনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ও ভালো সম্পর্ক নির্ধারণে ঢাকার এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশের প্রায় ৫০ শতাংশ তৈরি পোশাক ইউরোপে রপ্তানি হয়, যা বাংলাদেশের বড় স্বার্থের বিষয়।

বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে ফ্রান্স বা ইউরোপ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ইউরোপ বা ফ্রান্স কোনো চাপিয়ে দেওয়া সম্পর্কে বিশ্বাস করে না; বরং বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে সত্যিকারের আস্থাশীল অংশীদার হতে চায়। কয়েক বছর আগে কারিগরি মূল্যায়ন ও গুরুত্ব বিবেচনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এয়ারবাস কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। বিশ্বের বড় বড় বিমান সংস্থাগুলো সাধারণত এয়ারবাস ও বোয়িং—উভয় ধরনের উড়োজাহাজ তাদের বহরে রাখে, যা বিমানের জন্য সুবিধাজনক।

জঁ-মার্ক সেরে-শারলে আরও বলেন, কোনো একক কোম্পানির ওপর নির্ভর না করে দুটির সুবিধা তুলনা করে বেছে নেওয়া যৌক্তিক। এয়ারবাসের এমন কিছু উড়োজাহাজ রয়েছে যা বিরতিহীনভাবে ঢাকা থেকে আমেরিকার পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম, যা অন্য কোনো উড়োজাহাজ পারে না। বিমানের এই সিদ্ধান্তে কোনো ভুল বা সন্দেহ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তিকে তিনি বাণিজ্যিক বিষয় হিসেবেই দেখছেন।

এয়ারবাস কেনার আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে আশ্বস্ত করে রাষ্ট্রদূত জানান, এটি কোনো ফরাসি বা যুক্তরাজ্য সরকারের চুক্তি নয়, বরং সরাসরি এয়ারবাস কোম্পানির সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চুক্তি। আলোচনা নিখুঁতভাবে শেষ করতে সময় লাগতে পারে, তবে ইতিবাচক ফলাফল আসবে। এছাড়া বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ফ্রান্স জুলাই সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখছে এবং গণমানুষ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে নিজেদের মতামত সরকারের কাছে তুলে ধরছে।

তাঁরা জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কিছু উড়োজাহাজ বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে, ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের দিকে যা সরবরাহ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৯ সড়ক দ্রুত মেরামতের নির্দেশ মন্ত্রীর

ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে এয়ারবাস কেনা গুরুত্বপূর্ণ: ফরাসি রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এয়ারবাস কেনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ও ভালো সম্পর্ক নির্ধারণে ঢাকার এয়ারবাস কেনার সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশের প্রায় ৫০ শতাংশ তৈরি পোশাক ইউরোপে রপ্তানি হয়, যা বাংলাদেশের বড় স্বার্থের বিষয়।

বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি নিয়ে ফ্রান্স বা ইউরোপ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ইউরোপ বা ফ্রান্স কোনো চাপিয়ে দেওয়া সম্পর্কে বিশ্বাস করে না; বরং বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে সত্যিকারের আস্থাশীল অংশীদার হতে চায়। কয়েক বছর আগে কারিগরি মূল্যায়ন ও গুরুত্ব বিবেচনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এয়ারবাস কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। বিশ্বের বড় বড় বিমান সংস্থাগুলো সাধারণত এয়ারবাস ও বোয়িং—উভয় ধরনের উড়োজাহাজ তাদের বহরে রাখে, যা বিমানের জন্য সুবিধাজনক।

জঁ-মার্ক সেরে-শারলে আরও বলেন, কোনো একক কোম্পানির ওপর নির্ভর না করে দুটির সুবিধা তুলনা করে বেছে নেওয়া যৌক্তিক। এয়ারবাসের এমন কিছু উড়োজাহাজ রয়েছে যা বিরতিহীনভাবে ঢাকা থেকে আমেরিকার পূর্ব উপকূলে পৌঁছাতে সক্ষম, যা অন্য কোনো উড়োজাহাজ পারে না। বিমানের এই সিদ্ধান্তে কোনো ভুল বা সন্দেহ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তিকে তিনি বাণিজ্যিক বিষয় হিসেবেই দেখছেন।

এয়ারবাস কেনার আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে আশ্বস্ত করে রাষ্ট্রদূত জানান, এটি কোনো ফরাসি বা যুক্তরাজ্য সরকারের চুক্তি নয়, বরং সরাসরি এয়ারবাস কোম্পানির সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চুক্তি। আলোচনা নিখুঁতভাবে শেষ করতে সময় লাগতে পারে, তবে ইতিবাচক ফলাফল আসবে। এছাড়া বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, ফ্রান্স জুলাই সনদ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ার দিকে নজর রাখছে এবং গণমানুষ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে নিজেদের মতামত সরকারের কাছে তুলে ধরছে।

তাঁরা জানতে পেরেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কিছু উড়োজাহাজ বিক্রি করতে সক্ষম হয়েছে, ২০৩১ বা ২০৩৫ সালের দিকে যা সরবরাহ করা হবে।