লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক, গুরুত্ব পেল সুপার ইন্টেলিজেন্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই সম্মেলনকে তিনি এমন একটি অসাধারণ সমাবেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যেখানে মেধাবী মানুষেরা একত্র হয়ে ‘আমেরিকার স্বর্ণযুগ’ বিনির্মাণের কাজ করছেন। বৈঠকে ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক, এনভিডিয়া, মেটা এবং গুগলের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শিল্পের মূল চালিকাশক্তি।

বর্তমান সময়ে যখন প্রযুক্তি খাতের অনেক নির্বাহী ও বিশেষজ্ঞ এআই প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং এর উন্নয়ন ধীর করার আহ্বান জানাচ্ছেন, ঠিক তখনই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। ট্রাম্পের এই সম্মেলনের তিনটি মূল বিষয় হলো এআই ‘স্বনিয়ন্ত্রণ’ চুক্তি, ডাটা সেন্টার নির্মাণে গুরুত্ব প্রদান এবং সুপার ইন্টেলিজেন্সের নতুন ধারণার প্রবর্তন।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি জানান, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নির্বাহীরা একটি ‘নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক’ নথিতে স্বাক্ষর করেছেন, যা এআইয়ের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় কাজ করবে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন গুগলের সুন্দর পিচাই, মেটার মার্ক জাকারবার্গ, অ্যানথ্রপিকের দারিও আমোদেই, ওপেনএআইয়ের গ্রেগ ব্রকম্যান, স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং। ট্রাম্প এই চুক্তিটিকে সংবিধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন এবং উল্লেখ করেন যে কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়ভার নিজেরাই গ্রহণ করেছে।

বৈঠকে ডাটা সেন্টার সম্প্রসারণের বিষয়েও ট্রাম্প তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বর্তমানে দেশজুড়ে ডাটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে বিদ্যুৎ খরচ ও স্থানীয় জনপদের ওপর প্রভাব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, যার ফলে ৬৫ শতাংশ ভোটার এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে ট্রাম্প আশ্বস্ত করেছেন যে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট করেই এই অবকাঠামো নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেবে।

এ ছাড়া, ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে মার্কিন সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থাকে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দের পরিবর্তে ‘এসআই’ বা ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শব্দ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি চিঠিপত্র, ওয়েবসাইট, নীতিগত নথি এবং জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই নতুন পরিভাষা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির এই সক্ষমতা এখন কেবল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়, বরং সুপার ইন্টেলিজেন্সের একটি নতুন যুগের প্রতিনিধিত্ব করছে।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নির্বাহীরা একটি ‘নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক’ নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। তার ভাষায়,

অসদাচরণ ও পলায়নের দায়ে পুলিশের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক, গুরুত্ব পেল সুপার ইন্টেলিজেন্স

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১২:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রযুক্তি খাতের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন। এই সম্মেলনকে তিনি এমন একটি অসাধারণ সমাবেশ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যেখানে মেধাবী মানুষেরা একত্র হয়ে ‘আমেরিকার স্বর্ণযুগ’ বিনির্মাণের কাজ করছেন। বৈঠকে ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক, এনভিডিয়া, মেটা এবং গুগলের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই শিল্পের মূল চালিকাশক্তি।

বর্তমান সময়ে যখন প্রযুক্তি খাতের অনেক নির্বাহী ও বিশেষজ্ঞ এআই প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন এবং এর উন্নয়ন ধীর করার আহ্বান জানাচ্ছেন, ঠিক তখনই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। ট্রাম্পের এই সম্মেলনের তিনটি মূল বিষয় হলো এআই ‘স্বনিয়ন্ত্রণ’ চুক্তি, ডাটা সেন্টার নির্মাণে গুরুত্ব প্রদান এবং সুপার ইন্টেলিজেন্সের নতুন ধারণার প্রবর্তন।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি জানান, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নির্বাহীরা একটি ‘নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক’ নথিতে স্বাক্ষর করেছেন, যা এআইয়ের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় কাজ করবে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন গুগলের সুন্দর পিচাই, মেটার মার্ক জাকারবার্গ, অ্যানথ্রপিকের দারিও আমোদেই, ওপেনএআইয়ের গ্রেগ ব্রকম্যান, স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক এবং এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং। ট্রাম্প এই চুক্তিটিকে সংবিধানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেন এবং উল্লেখ করেন যে কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়ভার নিজেরাই গ্রহণ করেছে।

বৈঠকে ডাটা সেন্টার সম্প্রসারণের বিষয়েও ট্রাম্প তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বর্তমানে দেশজুড়ে ডাটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে বিদ্যুৎ খরচ ও স্থানীয় জনপদের ওপর প্রভাব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, যার ফলে ৬৫ শতাংশ ভোটার এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে ট্রাম্প আশ্বস্ত করেছেন যে, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট করেই এই অবকাঠামো নির্মাণের কাজ এগিয়ে নেবে।

এ ছাড়া, ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে মার্কিন সরকারের বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থাকে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দের পরিবর্তে ‘এসআই’ বা ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ শব্দ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি চিঠিপত্র, ওয়েবসাইট, নীতিগত নথি এবং জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই নতুন পরিভাষা ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির এই সক্ষমতা এখন কেবল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নয়, বরং সুপার ইন্টেলিজেন্সের একটি নতুন যুগের প্রতিনিধিত্ব করছে।

রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন এবং প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর নির্বাহীরা একটি ‘নৈতিকভাবে বাধ্যতামূলক’ নথিতে স্বাক্ষর করেছেন। তার ভাষায়,