লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনামূল্যে মালয়েশিয়া যাবে ১০ হাজার কর্মী: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই প্রক্রিয়া শুরু করার কথা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

গত রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে যে ১০ হাজার শ্রমিক পাঠানো হবে, তাদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা হবে। পরবর্তীতে মালয়েশিয়ার চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) ছাড়াও অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে।

শ্রমমন্ত্রী কর্মীদের দক্ষতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়া কর্মী পাঠানো হলে তারা সেখানে হয়রানির শিকার হতে পারেন। তাই আগে প্রশিক্ষণ দিয়ে পরবর্তীতে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতারা বাংলাদেশে এসে সরাসরি নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মী বাছাই করবেন। এরপরই নির্বাচিত কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। তবে এ প্রক্রিয়ার জন্য মেডিকেল পরীক্ষাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চূড়ান্ত করার কাজ এখনও বাকি রয়েছে।

অতীতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট ও কর্মী হয়রানির যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এড়াতে এবার সরকার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান বাড়াতে এ বছরই অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদার ডাটাবেস তৈরি করা হবে এবং কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জব ফেয়ারের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি চলতি মাসের মধ্যে সব পক্ষের সাথে আলোচনা করে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করার কথাও জানান আরিফুল হক চৌধুরী।

জনপ্রিয় সংবাদ

দশ বছরের সম্পর্কে ইতি, বিচ্ছেদের পথে প্রীতম-শাহতাজ

বিনামূল্যে মালয়েশিয়া যাবে ১০ হাজার কর্মী: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই প্রক্রিয়া শুরু করার কথা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

গত রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে যে ১০ হাজার শ্রমিক পাঠানো হবে, তাদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা হবে। পরবর্তীতে মালয়েশিয়ার চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) ছাড়াও অন্যান্য অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে।

শ্রমমন্ত্রী কর্মীদের দক্ষতার ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ ছাড়া কর্মী পাঠানো হলে তারা সেখানে হয়রানির শিকার হতে পারেন। তাই আগে প্রশিক্ষণ দিয়ে পরবর্তীতে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতারা বাংলাদেশে এসে সরাসরি নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মী বাছাই করবেন। এরপরই নির্বাচিত কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। তবে এ প্রক্রিয়ার জন্য মেডিকেল পরীক্ষাসহ অন্যান্য কার্যক্রম চূড়ান্ত করার কাজ এখনও বাকি রয়েছে।

অতীতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট ও কর্মী হয়রানির যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এড়াতে এবার সরকার অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান বাড়াতে এ বছরই অনলাইন ও অফলাইন ভিত্তিক ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদার ডাটাবেস তৈরি করা হবে এবং কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জব ফেয়ারের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি চলতি মাসের মধ্যে সব পক্ষের সাথে আলোচনা করে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করার কথাও জানান আরিফুল হক চৌধুরী।