লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম বদল ও ১৬ হাজার কোটি টাকার দরপত্র আহ্বানের ঘোষণা

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিদ্যমান সংকট নিরসন ও চিকিৎসাসেবা আধুনিকায়নে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়াতে দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম পরিবর্তন করে ‘ফ্যামিলি ওয়েলবিয়িং সেন্টার’ করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

শনিবার ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সব পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি সকালে প্রথমে জেলার ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেন এবং দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন। সেখানে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিত না থাকা, মাত্রাতিরিক্ত রোগীর চাপ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও অবকাঠামোগত ঘাটতিসহ নানা অব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর পরিদর্শনে উঠে আসে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থানকালে মন্ত্রী চিকিৎসকদের ডিউটি রেজিস্টার খাতা নিজের কাছে নেন। নির্ধারিত ডিউটির সময়েও কয়েকজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দেখা যায়, অনেকে সকাল ১০টা কিংবা পৌনে ১১টায় কর্মস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তাদের রোস্টার সংগ্রহ করার নির্দেশ দেন এবং প্রকৃতপক্ষে কতজন চিকিৎসক অনুপস্থিত ছিলেন তা যাচাই করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। দায়িত্বে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন তিনি।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ড, গাইনি ওয়ার্ড, হাম আইসোলেশন ও ডেঙ্গু ওয়ার্ড সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা, শৌচাগার ও সার্বিক সুবিধা পর্যবেক্ষণ করেন। হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় ময়লা-আবর্জনা জমে থাকতে দেখে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বেহাল অবস্থায় থাকা শৌচাগারগুলো দ্রুত পরিষ্কার ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের তাগিদ দেন।

গাইনি ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে এক রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে হওয়ার কারণ জানতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং ওই রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে এক হাজার টাকা প্রদান করেন। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের মশারি টাঙানোর ব্যবস্থায় তিনি সন্তোষ জানালেও চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পরিচ্ছন্নভাবে দেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

হাসপাতালের ধারণক্ষমতার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি মাত্র এক হাজার রোগীর ধারণক্ষমতাসম্পন্ন। কিন্তু এখানে প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার রোগী সেবা নিতে আসেন। ময়মনসিংহসহ পার্শ্ববর্তী আট থেকে দশটি জেলার রোগী এ হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চিকিৎসক, শয্যা ও সার্বিক পরিকাঠামোর ওপর মারাত্মক চাপ তৈরি হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, একজন চিকিৎসকের ৫০ জন রোগী দেখার সক্ষমতা থাকলে তাকে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী দেখতে হচ্ছে। এই জনবল ঘাটতির কারণে সেবার মান ব্যাহত হলেও চিকিৎসার অবহেলাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, বিগত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে যে ব্যাপক লুটপাট ও অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে, তা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়। তবে সরকার ধাপে ধাপে এসব সমস্যার সমাধান করে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

স্বাস্থ্য খাতের চলমান উন্নয়ন পরিকল্পনার বিস্তারিত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ১৬ হাজার কোটি টাকার দরপত্রের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সরঞ্জাম সংগ্রহ, চিকিৎসক সংকট নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। এ ছাড়া ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন এবং দেশে পাঁচটি স্থানে রোবোটিক সার্জারি ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ চলছে।

জনবল বৃদ্ধির পদক্ষেপে মন্ত্রী জানান, শিগগিরই পাঁচ হাজার নার্স এবং স্বাভাবিক প্রসব বা নরমাল ডেলিভারির হার বাড়াতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। লোকবল অভাবে বন্ধ হয়ে থাকা শিশুদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা এক সপ্তাহের মধ্যে চালু করার আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর নাম বদলে ‘ফ্যামিলি ওয়েলবিয়িং সেন্টার’ করার পাশাপাশি সেখানে সার্বক্ষণিক ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা ১০০ থেকে ১৫০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব হাসপাতালে ডায়ালাইসিস, ফিজিওথেরাপি, মাতৃত্বকালীন সেবা ও শিশুদের জন্য পৃথক শয্যা যুক্ত করা হবে। তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাঠামো ভালো হলেও ইনডোর সেবা চালু না থাকায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসক পদায়ন করে সেবা চালুর আশ্বাস দেন মন্ত্রী। অন্যদিকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শৌচাগার ও নালা মেরামতের কাজ দুই দিনের মধ্যে শেষ করে ভিডিওর মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি দেখানোর নির্দেশ দেন তিনি।

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ৪৮আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ৫১

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহিয়ার বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন নেইমার, নিষেধাজ্ঞায় দুই ম্যাচ

কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম বদল ও ১৬ হাজার কোটি টাকার দরপত্র আহ্বানের ঘোষণা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিদ্যমান সংকট নিরসন ও চিকিৎসাসেবা আধুনিকায়নে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। একই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়াতে দেশের সব কমিউনিটি ক্লিনিকের নাম পরিবর্তন করে ‘ফ্যামিলি ওয়েলবিয়িং সেন্টার’ করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

শনিবার ময়মনসিংহের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সব পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি সকালে প্রথমে জেলার ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেন এবং দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হন। সেখানে চিকিৎসকদের সময়মতো উপস্থিত না থাকা, মাত্রাতিরিক্ত রোগীর চাপ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও অবকাঠামোগত ঘাটতিসহ নানা অব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর পরিদর্শনে উঠে আসে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবস্থানকালে মন্ত্রী চিকিৎসকদের ডিউটি রেজিস্টার খাতা নিজের কাছে নেন। নির্ধারিত ডিউটির সময়েও কয়েকজন চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দেখা যায়, অনেকে সকাল ১০টা কিংবা পৌনে ১১টায় কর্মস্থলে উপস্থিত হয়েছেন। মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তাদের রোস্টার সংগ্রহ করার নির্দেশ দেন এবং প্রকৃতপক্ষে কতজন চিকিৎসক অনুপস্থিত ছিলেন তা যাচাই করে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। দায়িত্বে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন তিনি।

পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ড, গাইনি ওয়ার্ড, হাম আইসোলেশন ও ডেঙ্গু ওয়ার্ড সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবা, শৌচাগার ও সার্বিক সুবিধা পর্যবেক্ষণ করেন। হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় ময়লা-আবর্জনা জমে থাকতে দেখে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বেহাল অবস্থায় থাকা শৌচাগারগুলো দ্রুত পরিষ্কার ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের তাগিদ দেন।

গাইনি ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে এক রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কিনতে হওয়ার কারণ জানতে চান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঘটনার সত্যতা পেয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং ওই রোগীকে বাইরে থেকে স্যালাইন কেনার ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে এক হাজার টাকা প্রদান করেন। ডেঙ্গু ওয়ার্ডের মশারি টাঙানোর ব্যবস্থায় তিনি সন্তোষ জানালেও চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পরিচ্ছন্নভাবে দেওয়ার জন্য চিকিৎসকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

হাসপাতালের ধারণক্ষমতার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি মাত্র এক হাজার রোগীর ধারণক্ষমতাসম্পন্ন। কিন্তু এখানে প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার রোগী সেবা নিতে আসেন। ময়মনসিংহসহ পার্শ্ববর্তী আট থেকে দশটি জেলার রোগী এ হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় চিকিৎসক, শয্যা ও সার্বিক পরিকাঠামোর ওপর মারাত্মক চাপ তৈরি হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, একজন চিকিৎসকের ৫০ জন রোগী দেখার সক্ষমতা থাকলে তাকে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী দেখতে হচ্ছে। এই জনবল ঘাটতির কারণে সেবার মান ব্যাহত হলেও চিকিৎসার অবহেলাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি দাবি করেন, বিগত ১৭ বছরে স্বাস্থ্য খাতে যে ব্যাপক লুটপাট ও অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছে, তা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়। তবে সরকার ধাপে ধাপে এসব সমস্যার সমাধান করে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

স্বাস্থ্য খাতের চলমান উন্নয়ন পরিকল্পনার বিস্তারিত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আসন্ন ১৬ হাজার কোটি টাকার দরপত্রের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সরঞ্জাম সংগ্রহ, চিকিৎসক সংকট নিরসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। এ ছাড়া ক্যানসার চিকিৎসার আধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপন এবং দেশে পাঁচটি স্থানে রোবোটিক সার্জারি ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ চলছে।

জনবল বৃদ্ধির পদক্ষেপে মন্ত্রী জানান, শিগগিরই পাঁচ হাজার নার্স এবং স্বাভাবিক প্রসব বা নরমাল ডেলিভারির হার বাড়াতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। লোকবল অভাবে বন্ধ হয়ে থাকা শিশুদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) সেবা এক সপ্তাহের মধ্যে চালু করার আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর নাম বদলে ‘ফ্যামিলি ওয়েলবিয়িং সেন্টার’ করার পাশাপাশি সেখানে সার্বক্ষণিক ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ফুলপুর ও তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শয্যাসংখ্যা ১০০ থেকে ১৫০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব হাসপাতালে ডায়ালাইসিস, ফিজিওথেরাপি, মাতৃত্বকালীন সেবা ও শিশুদের জন্য পৃথক শয্যা যুক্ত করা হবে। তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাঠামো ভালো হলেও ইনডোর সেবা চালু না থাকায় আগামী সপ্তাহের মধ্যে চিকিৎসক পদায়ন করে সেবা চালুর আশ্বাস দেন মন্ত্রী। অন্যদিকে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শৌচাগার ও নালা মেরামতের কাজ দুই দিনের মধ্যে শেষ করে ভিডিওর মাধ্যমে কাজের অগ্রগতি দেখানোর নির্দেশ দেন তিনি।

প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ৪৮আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮: ৫১