লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ, প্রতিদিন সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক

আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হচ্ছে। এই পর্যটন মৌসুম আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এই দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া, দ্বীপে যেতে ইচ্ছুক প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে গত রোববার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্ট মার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। তবে নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ অধিদপ্তরকে ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, গত বছরের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে। এই প্রজ্ঞাপনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে পর্যটক যাতায়াতসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটকেরা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি। সে সময় রাত্রিযাপনের ক্ষেত্রেও নানা বিধিনিষেধ ছিল। চার বছর আগেও টেকনাফ থেকে প্রতিদিন ৯ থেকে ১১টি জাহাজে করে পাঁচ থেকে ছয় হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতেন। তবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, নাফ নদীতে গুলিবর্ষণ ও অপহরণের মতো নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এই রুটে দীর্ঘ সময় পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে।প্রজ্ঞাপনে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াতসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।.অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ সীমিত করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে ছাত্রীকে কুপিয়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাই

১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ, প্রতিদিন সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হচ্ছে। এই পর্যটন মৌসুম আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এই দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়া, দ্বীপে যেতে ইচ্ছুক প্রত্যেক পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি প্রদান করতে হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে গত রোববার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্ট মার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। তবে নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে। পরিবেশ অধিদপ্তরকে ইসিএ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ২৬ অনুযায়ী পরিবেশ সংরক্ষণ ফি আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া, গত বছরের ২২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে। এই প্রজ্ঞাপনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে পর্যটক যাতায়াতসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটকেরা সেখানে পৌঁছাতে পারেননি। সে সময় রাত্রিযাপনের ক্ষেত্রেও নানা বিধিনিষেধ ছিল। চার বছর আগেও টেকনাফ থেকে প্রতিদিন ৯ থেকে ১১টি জাহাজে করে পাঁচ থেকে ছয় হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতেন। তবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি, নাফ নদীতে গুলিবর্ষণ ও অপহরণের মতো নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এই রুটে দীর্ঘ সময় পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনাগুলোও বহাল থাকবে।প্রজ্ঞাপনে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক যাতায়াতসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।.অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য সেন্ট মার্টিন ভ্রমণ সীমিত করা হয়।