লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৪ তেলবাহী জাহাজে আগুন

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় সাগরে পুঁতে রাখা মাইনের আঘাতে অন্তত চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগের দিন মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল যে, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ থেকে মাইন অপসারণ সম্পন্ন করেছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলের অননুমোদিত পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ মাইনের আঘাতে বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই জাহাজগুলো তাদের রাডার ও নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল এবং নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। তবে এই জাহাজগুলোর পতাকাবাহী দেশ বা ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এদিকে ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল বা ৪৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে আগুন লাগার তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই এলাকায় এর আগে আরও দুটি ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছিল, যার একটিতে একটি ঐতিহ্যবাহী আরবীয় নৌযান এবং অন্যটিতে অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি তেলবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কৌশলগত এই জলপথে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি সেন্টকমের মাইন অপসারণের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, দাবির পক্ষে শুধু বিবৃতি নয়, বরং স্বাধীন প্রমাণ দেখাতে হবে। আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওমান উপকূলঘেঁষা দক্ষিণাঞ্চলীয় করিডর দিয়ে জাহাজ চলাচল অননুমোদিত এবং এই পথে চলাচলের দায় সম্পূর্ণভাবে জাহাজ মালিক ও নাবিকদের।

একই বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমাঞ্চলে তাদের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউএম-১৭০ মডেলের একটি গোয়েন্দা ড্রোন সফলভাবে জব্দ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেন ডাকেটের তাণ্ডবে ৭১৭ রানের ম্যাচে ইংল্যান্ডের জয়

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৪ তেলবাহী জাহাজে আগুন

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সময় সাগরে পুঁতে রাখা মাইনের আঘাতে অন্তত চারটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগের দিন মার্কিন সামরিক বাহিনী দাবি করেছিল যে, তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ থেকে মাইন অপসারণ সম্পন্ন করেছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলের অননুমোদিত পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ মাইনের আঘাতে বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়ে। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই জাহাজগুলো তাদের রাডার ও নেভিগেশন ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছিল এবং নৌবাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। তবে এই জাহাজগুলোর পতাকাবাহী দেশ বা ঘটনার সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

এদিকে ব্রিটিশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওমানের খাসাব উপকূল থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল বা ৪৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজে আগুন লাগার তথ্য নিশ্চিত করেছে। একই এলাকায় এর আগে আরও দুটি ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছিল, যার একটিতে একটি ঐতিহ্যবাহী আরবীয় নৌযান এবং অন্যটিতে অজ্ঞাত কোনো বস্তু বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি তেলবাহী জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান কৌশলগত এই জলপথে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে রেখেছে। আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি সেন্টকমের মাইন অপসারণের দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, দাবির পক্ষে শুধু বিবৃতি নয়, বরং স্বাধীন প্রমাণ দেখাতে হবে। আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওমান উপকূলঘেঁষা দক্ষিণাঞ্চলীয় করিডর দিয়ে জাহাজ চলাচল অননুমোদিত এবং এই পথে চলাচলের দায় সম্পূর্ণভাবে জাহাজ মালিক ও নাবিকদের।

একই বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির পশ্চিমাঞ্চলে তাদের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউএম-১৭০ মডেলের একটি গোয়েন্দা ড্রোন সফলভাবে জব্দ করেছে।