লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে স্কুলের জমি উদ্ধারে মানববন্ধন, নতুন ভবনের স্বপ্ন অনিশ্চিত

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৬৯ নং বংশীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি অবৈধ দখলদারের কবল থেকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে বংশীপুর বাজারে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা সম্মিলিতভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, বর্তমানে বিদ্যালয়ের ভবনটি টিনশেড হওয়ায় বর্ষাকালে জরাজীর্ণ ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। এছাড়া প্রচণ্ড গরমে টিনের তাপে শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং নির্মাণ কাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্কুলের টয়লেটও ভেঙে ফেলা হয়েছে।

শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা অভিযোগ করেন, স্কুল বাউন্ডারির ভেতরে একজন ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে দোকান ঘর নির্মাণ করে জমি দখল করে আছেন। এর ফলে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বরাদ্দকৃত নতুন ভবন নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই তারা স্কুল সীমানার ভেতরে থাকা ওই অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদের জোর দাবি জানান।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক মদনমোহন মিস্ত্রি। এতে বক্তব্য রাখেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফাতিমাতুজ জোহরা শম্পা, অভিভাবক সদস্য মেহেদী হাসান এবং অভিভাবক মিসেস বন্যা। ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জার্মানির ক্রিম প্রকল্পের আওতায় ভবনটি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু অবৈধ দখলদারিত্বের কারণে এই উন্নয়ন প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি ৩১ বছর ধরে সেখানে দোকান পরিচালনা করছেন। তিনি জানান, ২০০৭ সালে জেলা পরিষদ থেকে এই জায়গার কাগজ তিনি নিজের নামে করে নিয়েছেন। তবে তিনি এও বলেন, যদি জায়গাটি প্রকৃতপক্ষে স্কুলের হয়, তবে তিনি তা ছেড়ে দেবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

৯ তারিখের আগে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ঘোষণা চান জামায়াত আমীর

শ্যামনগরে স্কুলের জমি উদ্ধারে মানববন্ধন, নতুন ভবনের স্বপ্ন অনিশ্চিত

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ৬৯ নং বংশীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি অবৈধ দখলদারের কবল থেকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে বংশীপুর বাজারে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা সম্মিলিতভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, বর্তমানে বিদ্যালয়ের ভবনটি টিনশেড হওয়ায় বর্ষাকালে জরাজীর্ণ ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। এছাড়া প্রচণ্ড গরমে টিনের তাপে শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং নির্মাণ কাজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্কুলের টয়লেটও ভেঙে ফেলা হয়েছে।

শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা অভিযোগ করেন, স্কুল বাউন্ডারির ভেতরে একজন ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে দোকান ঘর নির্মাণ করে জমি দখল করে আছেন। এর ফলে জায়গা সংকুলান না হওয়ায় বরাদ্দকৃত নতুন ভবন নির্মাণের কাজ বাস্তবায়ন করা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই তারা স্কুল সীমানার ভেতরে থাকা ওই অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদের জোর দাবি জানান।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক মদনমোহন মিস্ত্রি। এতে বক্তব্য রাখেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফাতিমাতুজ জোহরা শম্পা, অভিভাবক সদস্য মেহেদী হাসান এবং অভিভাবক মিসেস বন্যা। ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জার্মানির ক্রিম প্রকল্পের আওতায় ভবনটি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু অবৈধ দখলদারিত্বের কারণে এই উন্নয়ন প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি ৩১ বছর ধরে সেখানে দোকান পরিচালনা করছেন। তিনি জানান, ২০০৭ সালে জেলা পরিষদ থেকে এই জায়গার কাগজ তিনি নিজের নামে করে নিয়েছেন। তবে তিনি এও বলেন, যদি জায়গাটি প্রকৃতপক্ষে স্কুলের হয়, তবে তিনি তা ছেড়ে দেবেন।