লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধ শুরুর চেয়ে ইরান এখন আরও শক্তিশালী, দাবি সেনাবাহিনীর

চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য তৎপরতা বাড়িয়ে চলেছে। এমন সময়ে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রাথমিক সময়ের তুলনায় তাদের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে অনেক বেশি শক্তিশালী ও উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্যের কথা জানানো হয়েছে।

একই সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান, বিগত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি বিশ্বের ১২টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপ হওয়া এসব দেশের মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, ওমান, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সাইপ্রাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, তিউনিসিয়া ও ইরাক। এসব আলোচনায় তিনি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং বহিরাগত কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

সামরিক পরিস্থিতি ও কৌশলগত পদক্ষেপ সম্পর্কে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানান, ওয়াশিংটন যতক্ষণ পর্যন্ত তেহরানের দাবি মেনে না নেবে, ততক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন আরও শক্তিশালী অবস্থানে এবং উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

এর পাশাপাশি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেন মোহেব্বি জানান, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আরও বাড়ানোর কাজ নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার অংশ হিসেবে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি বিদ্যমান পরিস্থিতি শান্ত করতে মার্কিন প্রশাসনের আন্তরিক সদিচ্ছার প্রশংসা করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের সময় বাড়ল শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত

যুদ্ধ শুরুর চেয়ে ইরান এখন আরও শক্তিশালী, দাবি সেনাবাহিনীর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জন্য তৎপরতা বাড়িয়ে চলেছে। এমন সময়ে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রাথমিক সময়ের তুলনায় তাদের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে অনেক বেশি শক্তিশালী ও উচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্যের কথা জানানো হয়েছে।

একই সাথে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করেছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে জানান, বিগত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি বিশ্বের ১২টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফোনালাপ হওয়া এসব দেশের মধ্যে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার, ওমান, মিসর, জর্ডান, সৌদি আরব, সাইপ্রাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, তিউনিসিয়া ও ইরাক। এসব আলোচনায় তিনি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং বহিরাগত কোনো শক্তির হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন।

সামরিক পরিস্থিতি ও কৌশলগত পদক্ষেপ সম্পর্কে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানান, ওয়াশিংটন যতক্ষণ পর্যন্ত তেহরানের দাবি মেনে না নেবে, ততক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। সেই সঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন আরও শক্তিশালী অবস্থানে এবং উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।

এর পাশাপাশি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেন মোহেব্বি জানান, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আরও বাড়ানোর কাজ নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার অংশ হিসেবে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরবর্তীতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল থানি বিদ্যমান পরিস্থিতি শান্ত করতে মার্কিন প্রশাসনের আন্তরিক সদিচ্ছার প্রশংসা করেন।