লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত ছাড়তে নারাজ শেখ হাসিনা! কাতার পরিকল্পনা ভেস্তে—নতুন কূটনৈতিক সমীকরণে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিকের পথে

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের গদিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই ভারত ছাড়তে রাজি নন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখানেই থাকতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এমনকি ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন—“মরলেও ভারতে মরবো।”

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তাকে তৃতীয় কোনো দেশে—বিশেষ করে কাতার—স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও কাতারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কাতারও এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে শেখ হাসিনার অনড় অবস্থানের কারণে পুরো পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

এদিকে, তাকে অন্য দেশে পাঠানোর বিষয়ে ভারত সরকারও জোর প্রয়োগে অনাগ্রহ দেখায়। ফলে বিষয়টি স্থগিত হয়ে যায়।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে ভারত একাধিক বিকল্প খুঁজছিল। প্রথমে সাবের হোসেন চৌধুরী-কে বিবেচনায় আনা হয়। তবে শেখ হাসিনা এতে সম্মতি দেননি। পরে তিনি নিজেও অপারগতা জানান।
পরবর্তীতে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববি-কে দিল্লিতে ডেকে আলোচনা করা হয়। কিন্তু এই প্রস্তাবেও শেখ হাসিনা সায় দেননি।
ভারতের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বাংলাদেশের নির্বাচনের বিষয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। নির্বাচনের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যায় এবং নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়।

বর্তমানে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আবার স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়েছে এবং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শক্তিশালী ডানপন্থি সরকার গঠনের ডাক দিলেন নেতানিয়াহু

ভারত ছাড়তে নারাজ শেখ হাসিনা! কাতার পরিকল্পনা ভেস্তে—নতুন কূটনৈতিক সমীকরণে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিকের পথে

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের গদিচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই ভারত ছাড়তে রাজি নন বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং সেখানেই থাকতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এমনকি ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি জানিয়েছেন—“মরলেও ভারতে মরবো।”

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, তাকে তৃতীয় কোনো দেশে—বিশেষ করে কাতার—স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও কাতারের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কাতারও এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে শেখ হাসিনার অনড় অবস্থানের কারণে পুরো পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

এদিকে, তাকে অন্য দেশে পাঠানোর বিষয়ে ভারত সরকারও জোর প্রয়োগে অনাগ্রহ দেখায়। ফলে বিষয়টি স্থগিত হয়ে যায়।
সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে ভারত একাধিক বিকল্প খুঁজছিল। প্রথমে সাবের হোসেন চৌধুরী-কে বিবেচনায় আনা হয়। তবে শেখ হাসিনা এতে সম্মতি দেননি। পরে তিনি নিজেও অপারগতা জানান।
পরবর্তীতে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববি-কে দিল্লিতে ডেকে আলোচনা করা হয়। কিন্তু এই প্রস্তাবেও শেখ হাসিনা সায় দেননি।
ভারতের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বাংলাদেশের নির্বাচনের বিষয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়। নির্বাচনের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি পাল্টে যায় এবং নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়।

বর্তমানে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আবার স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়েছে এবং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।