লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

“দ্বিতীয় দফা তাণ্ডব: মোড়েলগঞ্জে ঝড়-বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড জনপদ, অন্ধকারে গ্রামাঞ্চল”

অনলাইন ডেস্ক নিউজ :

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় হঠাৎ করে আঘাত হানা প্রবল ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া ঝড়ে মুহূর্তেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।
ঝড়ের তাণ্ডবে অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। ঝড়ের পরপরই শুরু হয় ভারী বর্ষণ, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এর ফলে মোড়েলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় চরম দুর্ভোগ।
পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে না হতেই আজ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে আবারও শুরু হয় দফায় দফায় ঝড় ও ভারী বৃষ্টি। প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফলের বাগান, ফসলি জমি, গরুর গোয়ালঘর ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বিশেষ করে নদীভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সম্ভাব্য জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এদিকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও দুর্যোগের কারণে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এখনও অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রকে ফাঁকি দিয়ে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কিনল ইরান

“দ্বিতীয় দফা তাণ্ডব: মোড়েলগঞ্জে ঝড়-বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড জনপদ, অন্ধকারে গ্রামাঞ্চল”

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক নিউজ :

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় হঠাৎ করে আঘাত হানা প্রবল ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া ঝড়ে মুহূর্তেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।
ঝড়ের তাণ্ডবে অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। ঝড়ের পরপরই শুরু হয় ভারী বর্ষণ, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এর ফলে মোড়েলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় রাত থেকেই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, সৃষ্টি হয় চরম দুর্ভোগ।
পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে না হতেই আজ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে আবারও শুরু হয় দফায় দফায় ঝড় ও ভারী বৃষ্টি। প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফলের বাগান, ফসলি জমি, গরুর গোয়ালঘর ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বিশেষ করে নদীভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সম্ভাব্য জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এদিকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও দুর্যোগের কারণে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এখনও অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।