লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খানাখন্দে মরণফাঁদ

টানা বর্ষণের ফলে সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এবং মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশেই কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে যানবাহন চলাচলের ফলে সৃষ্ট এই গর্তগুলো এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ভারী বর্ষণে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় চালকরা অনেক সময় গর্তের গভীরতা বুঝতে না পেরে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

মহাসড়কটি দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। কুমিল্লার তিশা পরিবহনের চালক শুক্কুর আলী জানান, দিনের বেলা গর্তগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব হলেও রাতে পথ চলা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায়ই গাড়ির চাকা গর্তে আটকে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং গাড়ি বিকল হয়ে পড়ছে, যা চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ট্যাক্সিচালক মনির হোসেন। তিনি বলেন, একবার গাড়ির চাকা গর্তে পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া সড়ক মেরামতের কাজ দায়সারাভাবে করার কারণে কার্পেটিং দ্রুত উঠে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। মহাসড়কে দুর্ঘটনার পাশাপাশি রাতে ছিনতাই আতঙ্কও বেড়েছে বলে জানান চালকরা।

এ বিষয়ে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণেই মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড় পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করায় রাস্তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তৈরি পোশাক খাতে বিদেশি ছাড়াই শতভাগ দেশি কর্মসংস্থান সম্ভব: মাহদী আমিন

সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের খানাখন্দে মরণফাঁদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:২৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণের ফলে সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কের কাঁচপুর সেতুর পূর্ব পাশ থেকে শুরু করে মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এবং মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশেই কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির মধ্যে যানবাহন চলাচলের ফলে সৃষ্ট এই গর্তগুলো এখন অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ভারী বর্ষণে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় চালকরা অনেক সময় গর্তের গভীরতা বুঝতে না পেরে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

মহাসড়কটি দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। কুমিল্লার তিশা পরিবহনের চালক শুক্কুর আলী জানান, দিনের বেলা গর্তগুলো এড়িয়ে চলা সম্ভব হলেও রাতে পথ চলা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায়ই গাড়ির চাকা গর্তে আটকে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং গাড়ি বিকল হয়ে পড়ছে, যা চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ট্যাক্সিচালক মনির হোসেন। তিনি বলেন, একবার গাড়ির চাকা গর্তে পড়লে নিয়ন্ত্রণ রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়া সড়ক মেরামতের কাজ দায়সারাভাবে করার কারণে কার্পেটিং দ্রুত উঠে যাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। মহাসড়কে দুর্ঘটনার পাশাপাশি রাতে ছিনতাই আতঙ্কও বেড়েছে বলে জানান চালকরা।

এ বিষয়ে সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, টানা বৃষ্টির কারণেই মহাসড়কে নতুন করে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কের পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড় পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করায় রাস্তা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।