লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের রুমায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড তংমক পাড়া এলাকায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় চার মাস আগে বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে একই এলাকার বাসিন্দা ক্যহ্লাচিং মারমার ছেলে ক্যসিংনু মার্মা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর পরবর্তী কয়েক দিনে ক্যসিংনু মার্মার বন্ধু উহাইমং মারমার ছেলে ঞোচিংঅং, মংচের ছেলে সিংহ্লা মারমা এবং মৃত মংচহ্লা মারমার ছেলে উশৈনু মারমা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে উশৈনু মারমা এক সন্তানের জনক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরীর ভাষ্যমতে, ঘটনার প্রায় চার মাস পর উহাইমং মারমা তাকে এক পাতা ট্যাবলেট দেন। সেই ট্যাবলেট সেবনের পর কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। এরপর তাকে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন থাকার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। হাসপাতালে চিকিৎসার সময় কিশোরীর গর্ভধারণ ও পরবর্তী শারীরিক জটিলতার বিষয়টি তাদের কাছে প্রকাশ পায়। স্থানীয় পাড়াবাসীর কাছ থেকেও তারা ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে পারেন।

রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়া জানিয়েছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফোনে বিষয়টি জানার পর ভুক্তভোগী ও তার পরিবার বর্তমানে থানায় অবস্থান করছেন এবং মামলা দায়ের ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, রুমা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই, তবুও টিকে থাকার লড়াই

বান্দরবানের রুমায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড তংমক পাড়া এলাকায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় চার মাস আগে বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে একই এলাকার বাসিন্দা ক্যহ্লাচিং মারমার ছেলে ক্যসিংনু মার্মা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর পরবর্তী কয়েক দিনে ক্যসিংনু মার্মার বন্ধু উহাইমং মারমার ছেলে ঞোচিংঅং, মংচের ছেলে সিংহ্লা মারমা এবং মৃত মংচহ্লা মারমার ছেলে উশৈনু মারমা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। অভিযুক্তদের মধ্যে উশৈনু মারমা এক সন্তানের জনক বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরীর ভাষ্যমতে, ঘটনার প্রায় চার মাস পর উহাইমং মারমা তাকে এক পাতা ট্যাবলেট দেন। সেই ট্যাবলেট সেবনের পর কিশোরীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। এরপর তাকে রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন থাকার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর তারা ঘটনাটি জানতে পারেন। হাসপাতালে চিকিৎসার সময় কিশোরীর গর্ভধারণ ও পরবর্তী শারীরিক জটিলতার বিষয়টি তাদের কাছে প্রকাশ পায়। স্থানীয় পাড়াবাসীর কাছ থেকেও তারা ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে পারেন।

রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়া জানিয়েছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ফোনে বিষয়টি জানার পর ভুক্তভোগী ও তার পরিবার বর্তমানে থানায় অবস্থান করছেন এবং মামলা দায়ের ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, রুমা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।