লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত, বড় নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচে মাঠে ঘটা সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ফিফা। ম্যাচ পরবর্তী বিশৃঙ্খলার তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি, যার ফলে আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেই সময় নাহুয়েল মলিনা স্পেনের অধিনায়ক রদ্রিকে পেটে আঘাত করেন। এছাড়া মাঠের মাঝমাঠেও ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, যেখানে এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরার পর গাভিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ওই একই রেফারি ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এনজো ফার্নান্দেজকেও মাঠ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। এছাড়া আর্জেন্টিনার আরও তিন খেলোয়াড় এবং কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছে।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ম্যাচ পরবর্তী ঘটনাগুলো এবং প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর, ফিফা শৃঙ্খলা কোডের অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী সম্ভাব্য বিধিভঙ্গের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা প্রসিকিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের পরও আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল ফিফা। ওই ম্যাচের পর উদযাপনের সময় খেলোয়াড়দের ‘লাস মালভিনাস সন আর্হেন্তিনাস’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা যায়, যা সমর্থকরা গোপনে আটলান্টা স্টেডিয়ামে নিয়ে গিয়েছিলেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড় বা দলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই দুই ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ইঙ্গিতে আন্তর্জাতিক বাজারে কমল তেলের দাম

আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে ফিফার তদন্ত, বড় নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১৭:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে স্পেনের বিরুদ্ধে ম্যাচে মাঠে ঘটা সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ফিফা। ম্যাচ পরবর্তী বিশৃঙ্খলার তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি, যার ফলে আর্জেন্টিনার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।

ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই মাঠে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেই সময় নাহুয়েল মলিনা স্পেনের অধিনায়ক রদ্রিকে পেটে আঘাত করেন। এছাড়া মাঠের মাঝমাঠেও ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয়, যেখানে এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরার পর গাভিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ওই একই রেফারি ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এনজো ফার্নান্দেজকেও মাঠ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। এছাড়া আর্জেন্টিনার আরও তিন খেলোয়াড় এবং কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছে।

ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ম্যাচ পরবর্তী ঘটনাগুলো এবং প্রাসঙ্গিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর, ফিফা শৃঙ্খলা কোডের অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী সম্ভাব্য বিধিভঙ্গের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা প্রসিকিউটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল জয়ের পরও আর্জেন্টিনার আচরণ নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল ফিফা। ওই ম্যাচের পর উদযাপনের সময় খেলোয়াড়দের ‘লাস মালভিনাস সন আর্হেন্তিনাস’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করতে দেখা যায়, যা সমর্থকরা গোপনে আটলান্টা স্টেডিয়ামে নিয়ে গিয়েছিলেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড় বা দলের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই দুই ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রয়েছেন।