লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেয়া থেকে কাবির: পরিচয়ের পরিবর্তনেও অদম্য স্বপ্ন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক কামরাঙ্গীচালা এলাকায় বসবাসকারী এক শিক্ষার্থীর জীবনে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। জন্মের সময় তার নাম ছিল কেয়া আক্তার, যা স্কুলের নথিপত্রেও ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে সময়ের সঙ্গে শারীরিক পরিবর্তনের পর চিকিৎসকের পরামর্শে একাধিক পরীক্ষার মাধ্যমে তার নতুন পরিচয় কাবির দেওয়ান হিসেবে নির্ধারিত হয়। এই পরিবর্তনের পেছনে পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

কাবির দেওয়ান টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বেলতলা গ্রামের কাইয়ুম দেওয়ান ও কণিকা ইসলামের সন্তান। বর্তমানে তারা কালিয়াকৈরের মৌচাক কামরাঙ্গীচালায় মো. শহীদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তিনি কেয়া আক্তার নামেই মৌচাক ধানসিঁড়ি স্কুল থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। আগামী ১০ আগস্ট তার পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষের দিকে তার শরীরে ধীরে ধীরে পরিবর্তন দেখা দেয়। কণ্ঠস্বরসহ শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়টি শুরুতে গোপন রাখা হলেও পরবর্তীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবতা নিশ্চিত হওয়া যায়।

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কাবির বলেন, আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই এবং এসএসসির ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। ভবিষ্যতে ভালো কোনো চাকরি করে নিজের পরিবার ও দেশের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও কাবিরের পরিবার ও তার কাছে বর্তমানে পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা চান না যে পরিচয়ের এই পরিবর্তন তার স্বপ্নের পথে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াক।

জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্যচিত্রে ত্রুটি: দুঃখ প্রকাশ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের, তদন্তের আশ্বাস

কেয়া থেকে কাবির: পরিচয়ের পরিবর্তনেও অদম্য স্বপ্ন

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:১৭:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক কামরাঙ্গীচালা এলাকায় বসবাসকারী এক শিক্ষার্থীর জীবনে এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। জন্মের সময় তার নাম ছিল কেয়া আক্তার, যা স্কুলের নথিপত্রেও ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে সময়ের সঙ্গে শারীরিক পরিবর্তনের পর চিকিৎসকের পরামর্শে একাধিক পরীক্ষার মাধ্যমে তার নতুন পরিচয় কাবির দেওয়ান হিসেবে নির্ধারিত হয়। এই পরিবর্তনের পেছনে পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

কাবির দেওয়ান টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বেলতলা গ্রামের কাইয়ুম দেওয়ান ও কণিকা ইসলামের সন্তান। বর্তমানে তারা কালিয়াকৈরের মৌচাক কামরাঙ্গীচালায় মো. শহীদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। তিনি কেয়া আক্তার নামেই মৌচাক ধানসিঁড়ি স্কুল থেকে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। আগামী ১০ আগস্ট তার পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা রয়েছে।

পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষের দিকে তার শরীরে ধীরে ধীরে পরিবর্তন দেখা দেয়। কণ্ঠস্বরসহ শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়টি শুরুতে গোপন রাখা হলেও পরবর্তীতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে বাস্তবতা নিশ্চিত হওয়া যায়।

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কাবির বলেন, আমি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই এবং এসএসসির ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। ভবিষ্যতে ভালো কোনো চাকরি করে নিজের পরিবার ও দেশের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও কাবিরের পরিবার ও তার কাছে বর্তমানে পড়াশোনা, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তারা চান না যে পরিচয়ের এই পরিবর্তন তার স্বপ্নের পথে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াক।