লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৈশোরের স্বাস্থ্যসেবায় ‘ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার’ মডেল চালুর সুপারিশ

দেশের কিশোর-কিশোরীদের জন্য সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যুববান্ধব স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ‘ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার’ (ভিপিএল) মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। গত ২৩ জুলাই সিরাক-বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কৈশোর-বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ে মতবিনিময় সভা’য় এ সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পিএইচসি ও আইটিএইচসি) এবং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিদ্যমান মানবসম্পদের ঘাটতি দূর করতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার (ভিপিএল) মডেল একটি অত্যন্ত কার্যকর ও ব্যয়-সাশ্রয়ী উদ্যোগ। সরকার অনুমোদিত প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের মাধ্যমে এই ভলান্টিয়াররা কিশোর-কিশোরীদের প্রাথমিক কাউন্সেলিং, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান, মানসিক সহায়তা এবং রেফারেল সেবা দিয়ে থাকেন। এর ফলে তারা কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও স্থানীয় কমিউনিটির মধ্যে একটি বিশ্বস্ত সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন।

সভায় ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডারের প্রয়োজনীয়তা, তাদের কার্যক্রম এবং দেশের কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান ঘাটতিগুলো একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. নাজমুল হাসান।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেল খুবই কার্যকর। এখন প্রয়োজন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত আলোচনার মাধ্যমে এই মডেলটিকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় টেকসই ও কাঠামোবদ্ধভাবে অন্তর্ভুক্ত করা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিয়ে জানান, ভিপিএল মডেলকে জাতীয়ভাবে টেকসই করতে একটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন কাঠামো, দায়িত্বের পরিধি, নীতিগত অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা জরুরি। তারা উল্লেখ করেন, সামাজিক জড়তা ও দ্বিধাবোধের কারণে অনেক কিশোর-কিশোরী সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভলান্টিয়াররা প্রাথমিক কাউন্সেলিং, তথ্য প্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সহজ করছেন।

কর্মকর্তারা আরও জানান, জাতীয় কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ‘অ্যাডোলেসেন্ট ফোকাল বডি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই কাঠামোর সঙ্গে ভিপিএল মডেলকে যুক্ত করে একটি মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্যাকেজ, বাস্তবায়ন নির্দেশিকা, পলিসি ব্রিফ ও আর্থিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় এই মডেল সম্প্রসারণ করা গেলে আরও বেশি সংখ্যক কিশোর-কিশোরী এই সেবার আওতায় আসবে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এই মডেল শুধু স্বাস্থ্যসেবাই বাড়ায় না, বরং তরুণদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগত কাজ, স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, মাদকাসক্তি এবং অন্যান্য সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবার, বিদ্যালয়, কমিউনিটি ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রাইমারি হেলথ কেয়ার) ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ রায়হানুজ্জামান সরকার, উপপরিচালক (প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ) ডা. মো. সেকান্দার আলী মোল্লাহ, উপপরিচালক (প্রাইমারি হেলথ কেয়ার) ডা. নাসরিন আক্তার, সহকারী পরিচালক (বিদ্যালয় স্বাস্থ্য) ও টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের ফোকাল পার্সন ডা. আসিফ ইকবাল, সহকারী পরিচালক (পিএইচসি/আইটিএইচসি) ডা. মীর আনোয়ার হোসেন, ডা. সাবরিনা হক ও ডা. শারমীন শাহনাজ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরগুনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ, সিরাক-বাংলাদেশের উপ-পরিচালক (প্রোগ্রাম) ও টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য সচিব মো. সেলিম মিয়া, টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ডা. জেবুন নেছা রহমান এবং সাবেক ও বর্তমান ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার কাকলী আক্তার শুনছি, মো. কামরান মিয়া ও সুমাইয়া আক্তার।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড শাহীনা ইয়াসমিন, প্রোগ্রাম ম্যানেজার সংগীতা সরকার, প্রজেক্ট ম্যানেজার লুৎফা পাঠান, অ্যাসোসিয়েট ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিন মো. নাজমুল ইসলাম, কমিউনিকেশন অফিসার এনামুল হক রনি, ফারিয়া সুলতানা তৃণা এবং বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। সভায় গৃহীত এই সুপারিশসমূহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে, যাতে জাতীয় পর্যায়ে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেলের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের মাধ্যমে দেশের কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা আরও টেকসই ও যুববান্ধব হয়ে ওঠে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিল্পকারখানায় আগামীকাল থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে

কৈশোরের স্বাস্থ্যসেবায় ‘ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার’ মডেল চালুর সুপারিশ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:১৯:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

দেশের কিশোর-কিশোরীদের জন্য সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও যুববান্ধব স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ‘ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার’ (ভিপিএল) মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। গত ২৩ জুলাই সিরাক-বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কৈশোর-বান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেল প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ বিষয়ক জাতীয় পর্যায়ে মতবিনিময় সভা’য় এ সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (পিএইচসি ও আইটিএইচসি) এবং টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সভাপতি ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম।

মতবিনিময় সভায় সিরাক-বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিদ্যমান মানবসম্পদের ঘাটতি দূর করতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার (ভিপিএল) মডেল একটি অত্যন্ত কার্যকর ও ব্যয়-সাশ্রয়ী উদ্যোগ। সরকার অনুমোদিত প্রশিক্ষণ ম্যানুয়ালের মাধ্যমে এই ভলান্টিয়াররা কিশোর-কিশোরীদের প্রাথমিক কাউন্সেলিং, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান, মানসিক সহায়তা এবং রেফারেল সেবা দিয়ে থাকেন। এর ফলে তারা কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও স্থানীয় কমিউনিটির মধ্যে একটি বিশ্বস্ত সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন।

সভায় ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডারের প্রয়োজনীয়তা, তাদের কার্যক্রম এবং দেশের কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান ঘাটতিগুলো একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. নাজমুল হাসান।

সভাপতির বক্তব্যে ডা. সৈয়দ কামরুল ইসলাম বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেল খুবই কার্যকর। এখন প্রয়োজন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত আলোচনার মাধ্যমে এই মডেলটিকে জাতীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় টেকসই ও কাঠামোবদ্ধভাবে অন্তর্ভুক্ত করা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিয়ে জানান, ভিপিএল মডেলকে জাতীয়ভাবে টেকসই করতে একটি সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন কাঠামো, দায়িত্বের পরিধি, নীতিগত অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা জরুরি। তারা উল্লেখ করেন, সামাজিক জড়তা ও দ্বিধাবোধের কারণে অনেক কিশোর-কিশোরী সরাসরি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে পারে না। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ভলান্টিয়াররা প্রাথমিক কাউন্সেলিং, তথ্য প্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার সহজ করছেন।

কর্মকর্তারা আরও জানান, জাতীয় কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ‘অ্যাডোলেসেন্ট ফোকাল বডি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই কাঠামোর সঙ্গে ভিপিএল মডেলকে যুক্ত করে একটি মানসম্মত প্রশিক্ষণ প্যাকেজ, বাস্তবায়ন নির্দেশিকা, পলিসি ব্রিফ ও আর্থিক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব উপজেলায় এই মডেল সম্প্রসারণ করা গেলে আরও বেশি সংখ্যক কিশোর-কিশোরী এই সেবার আওতায় আসবে।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, এই মডেল শুধু স্বাস্থ্যসেবাই বাড়ায় না, বরং তরুণদের নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা, দলগত কাজ, স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি কিশোর-কিশোরীদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, বাল্যবিবাহ, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, মাদকাসক্তি এবং অন্যান্য সামাজিক ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবার, বিদ্যালয়, কমিউনিটি ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রাইমারি হেলথ কেয়ার) ডা. আবু হেনা মোহাম্মদ রায়হানুজ্জামান সরকার, উপপরিচালক (প্ল্যানিং অ্যান্ড রিসার্চ) ডা. মো. সেকান্দার আলী মোল্লাহ, উপপরিচালক (প্রাইমারি হেলথ কেয়ার) ডা. নাসরিন আক্তার, সহকারী পরিচালক (বিদ্যালয় স্বাস্থ্য) ও টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের ফোকাল পার্সন ডা. আসিফ ইকবাল, সহকারী পরিচালক (পিএইচসি/আইটিএইচসি) ডা. মীর আনোয়ার হোসেন, ডা. সাবরিনা হক ও ডা. শারমীন শাহনাজ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরগুনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মাহমুদুল হক আজাদ, সিরাক-বাংলাদেশের উপ-পরিচালক (প্রোগ্রাম) ও টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য সচিব মো. সেলিম মিয়া, টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার ডা. জেবুন নেছা রহমান এবং সাবেক ও বর্তমান ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার কাকলী আক্তার শুনছি, মো. কামরান মিয়া ও সুমাইয়া আক্তার।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিরাক-বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড শাহীনা ইয়াসমিন, প্রোগ্রাম ম্যানেজার সংগীতা সরকার, প্রজেক্ট ম্যানেজার লুৎফা পাঠান, অ্যাসোসিয়েট ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিন মো. নাজমুল ইসলাম, কমিউনিকেশন অফিসার এনামুল হক রনি, ফারিয়া সুলতানা তৃণা এবং বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। সভায় গৃহীত এই সুপারিশসমূহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে, যাতে জাতীয় পর্যায়ে ভলান্টিয়ার পিয়ার লিডার মডেলের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের মাধ্যমে দেশের কৈশোরবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা আরও টেকসই ও যুববান্ধব হয়ে ওঠে।