লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসি পরীক্ষায় এমসিকিউ পূরণে হল সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার সময় এমসিকিউ উত্তরপত্র পূরণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক কেন্দ্র সুপারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামী ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক এবং চলমান এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা গেছে, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে মূল কেন্দ্র এবং সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সাব সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনার দিন কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র সুপারের মামাতো ভাই, যার রোল নম্বর ৪০৭২২৪, তার উত্তরপত্রটি মোবাইল দেখে ভরাট করার অভিযোগ ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, মহিউদ্দিন একটি টেবিলে বসে মোবাইল ফোন দেখে এমসিকিউ উত্তরপত্র পূরণ করছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শারীরিক শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক বেলাল হোসেন সংশ্লিষ্ট মোবাইল ও উত্তরপত্রটি নিয়ে অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানান। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, কেন্দ্র সচিব মো. সোহরব হোসেন বিষয়টি তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য এক প্রভাষক জানান, অভিযুক্ত মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে অতীতেও এমন অনিয়মের অভিযোগ ছিল, কিন্তু তিনি কেন্দ্র সুপার হওয়ায় কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি।

অভিযুক্ত কেন্দ্র সুপার মো. মহিউদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, হল রুমের সংকটের কারণে সাব সেন্টার ব্যবহার করা হচ্ছে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্যাকেট করার নিয়মিত কাজের সময় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, তার মামাতো ভাই ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।

এদিকে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. সোহরব হোসেন জানিয়েছেন, তিনি রুমের ভিন্নতার কারণে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তবে অভিযোগ ওঠার পর তিনি অভিযুক্তকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছেন এবং বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন।

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি প্রথম শুনলেন। দপ্তরে যোগাযোগ করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্টরা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, চলমান এইচএসসি কেন্দ্র হিসাবে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজ দায়িত্ব পান। পরীক্ষার সময় সূচি অনুসারে আজ কৃষিশিক্ষা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে মূল কেন্দ্র হিসাবে দুই টি কক্ষে এবং সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সাব সেন্টার হিসাবে এগারোটি কক্ষে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে ১ নম্বর ক

জনপ্রিয় সংবাদ

সমন্বিত উদ্যোগে অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষায় এমসিকিউ পূরণে হল সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষার সময় এমসিকিউ উত্তরপত্র পূরণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে এক কেন্দ্র সুপারের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামী ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ের প্রভাষক এবং চলমান এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জানা গেছে, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে মূল কেন্দ্র এবং সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সাব সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনার দিন কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র সুপারের মামাতো ভাই, যার রোল নম্বর ৪০৭২২৪, তার উত্তরপত্রটি মোবাইল দেখে ভরাট করার অভিযোগ ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, মহিউদ্দিন একটি টেবিলে বসে মোবাইল ফোন দেখে এমসিকিউ উত্তরপত্র পূরণ করছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী শারীরিক শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক বেলাল হোসেন সংশ্লিষ্ট মোবাইল ও উত্তরপত্রটি নিয়ে অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিবের কাছে অভিযোগ জানান। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, কেন্দ্র সচিব মো. সোহরব হোসেন বিষয়টি তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য এক প্রভাষক জানান, অভিযুক্ত মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে অতীতেও এমন অনিয়মের অভিযোগ ছিল, কিন্তু তিনি কেন্দ্র সুপার হওয়ায় কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি।

অভিযুক্ত কেন্দ্র সুপার মো. মহিউদ্দিন তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, হল রুমের সংকটের কারণে সাব সেন্টার ব্যবহার করা হচ্ছে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্যাকেট করার নিয়মিত কাজের সময় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, তার মামাতো ভাই ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছে।

এদিকে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. সোহরব হোসেন জানিয়েছেন, তিনি রুমের ভিন্নতার কারণে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তবে অভিযোগ ওঠার পর তিনি অভিযুক্তকে বহিষ্কারের কথা জানিয়েছেন এবং বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন।

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি প্রথম শুনলেন। দপ্তরে যোগাযোগ করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। সংশ্লিষ্টরা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, চলমান এইচএসসি কেন্দ্র হিসাবে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজ দায়িত্ব পান। পরীক্ষার সময় সূচি অনুসারে আজ কৃষিশিক্ষা দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে মূল কেন্দ্র হিসাবে দুই টি কক্ষে এবং সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সাব সেন্টার হিসাবে এগারোটি কক্ষে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে ১ নম্বর ক