লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশু

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঘরের ভেতর ঢুকে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়া ৫ বছরের এক শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। হামলায় গুরুতর আহত পাঁচ বছরের শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে ওই বাড়িটি থেকে তীব্র চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে ঘরের দরজার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় এনি বড়ুয়া ও তার ছেলে পিয়াসকে পড়ে থাকতে দেখেন। আর ঘরের ভেতরে পাওয়া যায় কিশোরী প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহ। স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই এনি ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার মৃত্যু হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি শহরে অবস্থান করছিলেন। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে দেখেন সব শেষ হয়ে গেছে। সুজন বড়ুয়ার দাবি, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন ছিল। ওই লেনদেনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খোঁজার উদ্দেশ্যেই হয়তো বাড়িতে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে তার স্ত্রী হামলাকারী হিসেবে লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র নাম বলে গেছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় বৃষ্টি ও তাপমাত্রা হ্রাসের পূর্বাভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের

আনোয়ারায় ঘরে ঢুকে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশু

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঘরের ভেতর ঢুকে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গুরুতর জখম হওয়া ৫ বছরের এক শিশুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন ওই এলাকার বাসিন্দা সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। হামলায় গুরুতর আহত পাঁচ বছরের শিশু পিয়াস বড়ুয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে ওই বাড়িটি থেকে তীব্র চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে ঘরের দরজার সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় এনি বড়ুয়া ও তার ছেলে পিয়াসকে পড়ে থাকতে দেখেন। আর ঘরের ভেতরে পাওয়া যায় কিশোরী প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার রক্তাক্ত দেহ। স্থানীয় লোকজন দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই এনি ও প্রিয়ন্তী বড়ুয়ার মৃত্যু হয়।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর্থিক লেনদেনের বিরোধকে দায়ী করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি শহরে অবস্থান করছিলেন। রাতে বড় ভাইয়ের ফোন পেয়ে দ্রুত বাড়ি ফিরে দেখেন সব শেষ হয়ে গেছে। সুজন বড়ুয়ার দাবি, প্রতিবেশী লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র সঙ্গে তার আর্থিক লেনদেন ছিল। ওই লেনদেনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র খোঁজার উদ্দেশ্যেই হয়তো বাড়িতে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে তার স্ত্রী হামলাকারী হিসেবে লিমন বড়ুয়া তেজপ্রিয়র নাম বলে গেছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ দুটি হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।