লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে রেফারির দায়িত্ব পেলেন ইসমায়েল এলফাত

চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে রেফারিং নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আসরের শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর মিসর রেফারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছিল, যেখানে মেসির দলকে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর সুইজারল্যান্ডও একই ধরনের অসন্তোষ প্রকাশ করে। এমন পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনাল ম্যাচে ফিফা কাকে রেফারির দায়িত্ব দেয়, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের বিশেষ আগ্রহ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর এক দিন আগে ফিফা এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের নাম ঘোষণা করেছে।

বুধবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেন্‌জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সেমিফাইনালে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইসমায়েল এলফাত। তাঁর সঙ্গে সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যুক্তরাষ্ট্রেরই কোরি পার্কার ও কাইল অ্যাটকিনস। এছাড়া চতুর্থ রেফারি হিসেবে ইতালির মাউরিজিও মারিয়ানি এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে দানিয়েলে বিনদোনিকে রাখা হয়েছে।

৪৪ বছর বয়সী এলফাত এবারের বিশ্বকাপে এর আগে তিনটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। গ্রুপ পর্বে তিনি নেদারল্যান্ডস-জাপান ও উরুগুয়ে-স্পেন ম্যাচের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর শেষ ষোলোয় ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচেও তিনি রেফারি ছিলেন, যেখানে নরওয়ে ২-১ গোলে ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল।

ইউএসএ টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরক্কোতে জন্মগ্রহণ করা এলফাত ২০০১ সালে ১৮ বছর বয়সে ডাইভারসিটি ভিসা লটারির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং বর্তমানে টেক্সাসে বসবাস করছেন। ২০১২ সাল থেকে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ২০১৬ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এলফাত ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনালে চতুর্থ রেফারির দায়িত্বও সামলেছিলেন। উত্তর আমেরিকার অন্যতম সেরা রেফারি হিসেবে বিবেচিত এলফাত এর আগে ২০২২ এমএলএস কাপ ফাইনাল ও ২০২৬ কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের ফাইনাল পরিচালনা করেছেন এবং দুইবার এমএলএস বর্ষসেরা রেফারির স্বীকৃতি পেয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালে রেফারির দায়িত্ব পেলেন ইসমায়েল এলফাত

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৪৫:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

চলমান বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার ম্যাচ পরিচালনার ক্ষেত্রে রেফারিং নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আসরের শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর মিসর রেফারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলেছিল, যেখানে মেসির দলকে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোয়ার্টার ফাইনালে হারের পর সুইজারল্যান্ডও একই ধরনের অসন্তোষ প্রকাশ করে। এমন পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনাল ম্যাচে ফিফা কাকে রেফারির দায়িত্ব দেয়, তা নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের বিশেষ আগ্রহ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ শুরুর এক দিন আগে ফিফা এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের নাম ঘোষণা করেছে।

বুধবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেন্‌জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সেমিফাইনালে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইসমায়েল এলফাত। তাঁর সঙ্গে সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যুক্তরাষ্ট্রেরই কোরি পার্কার ও কাইল অ্যাটকিনস। এছাড়া চতুর্থ রেফারি হিসেবে ইতালির মাউরিজিও মারিয়ানি এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে দানিয়েলে বিনদোনিকে রাখা হয়েছে।

৪৪ বছর বয়সী এলফাত এবারের বিশ্বকাপে এর আগে তিনটি ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। গ্রুপ পর্বে তিনি নেদারল্যান্ডস-জাপান ও উরুগুয়ে-স্পেন ম্যাচের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর শেষ ষোলোয় ব্রাজিল ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচেও তিনি রেফারি ছিলেন, যেখানে নরওয়ে ২-১ গোলে ব্রাজিলকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল।

ইউএসএ টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মরক্কোতে জন্মগ্রহণ করা এলফাত ২০০১ সালে ১৮ বছর বয়সে ডাইভারসিটি ভিসা লটারির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং বর্তমানে টেক্সাসে বসবাস করছেন। ২০১২ সাল থেকে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ২০১৬ সালে ফিফার আন্তর্জাতিক রেফারির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া এলফাত ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ফাইনালে চতুর্থ রেফারির দায়িত্বও সামলেছিলেন। উত্তর আমেরিকার অন্যতম সেরা রেফারি হিসেবে বিবেচিত এলফাত এর আগে ২০২২ এমএলএস কাপ ফাইনাল ও ২০২৬ কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের ফাইনাল পরিচালনা করেছেন এবং দুইবার এমএলএস বর্ষসেরা রেফারির স্বীকৃতি পেয়েছেন।