লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে যেন অলৌকিক প্রত্যাবর্তনের অন্য নাম আর্জেন্টিনা। আটলান্টার সেমিফাইনালে আবারও নিজেদের হার না মানা মানসিকতার পরিচয় দিয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে আটলান্টা স্টেডিয়ামে ভক্তদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে ‘ভামোস আর্জেন্টিনা’ স্লোগান। শিরোপার জন্য ১৯ জুলাই স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের কৌশল ছিল লিওনেল মেসিকে নিষ্ক্রিয় রাখা। মাঝমাঠে ডাবল মার্কিং ও পাসের পথ বন্ধ করে কোচ টমাস টুখেলের শিষ্যরা প্রথমার্ধ গোলশূন্য রাখতে সক্ষম হয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে ডেকলান রাইসের কাছ থেকে বল পেয়ে মরগান রজার্সের মাপা ক্রসে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বকাপে এটি গর্ডনের প্রথম গোল।

গোল খাওয়ার পর আর্জেন্টিনা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয়। ৫৬ মিনিট থেকে নির্ধারিত সময়ের শেষ পর্যন্ত বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা ৮৮ শতাংশ আধিপত্য বিস্তার করে। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড বেশ কয়েকটি আক্রমণ রুখে দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ৬৯ মিনিটে নিকোলাস গনজালেসের হেড এবং ৮০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লাগলে আর্জেন্টিনা গোলবঞ্চিত থাকে।

ম্যাচের ৮৬ মিনিটে মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের বোঝাপড়ায় সমতা ফেরায় আর্জেন্টিনা। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে এনজোর নেওয়া বাঁকানো শট পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। এরপর অতিরিক্ত সময়ে মেসির নিখুঁত এক ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে লাউতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোলটি করেন। এর আগে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে মেসি সেই বলটি সংগ্রহ করে গোলটিতে বড় ভূমিকা রাখেন। পুরো ম্যাচে খুব বেশি দৃশ্যমান না থাকলেও শেষ মুহূর্তে মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সই আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথ নিশ্চিত করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত সার্জিও গোর

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে যেন অলৌকিক প্রত্যাবর্তনের অন্য নাম আর্জেন্টিনা। আটলান্টার সেমিফাইনালে আবারও নিজেদের হার না মানা মানসিকতার পরিচয় দিয়ে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে আটলান্টা স্টেডিয়ামে ভক্তদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে ‘ভামোস আর্জেন্টিনা’ স্লোগান। শিরোপার জন্য ১৯ জুলাই স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

ম্যাচের প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের কৌশল ছিল লিওনেল মেসিকে নিষ্ক্রিয় রাখা। মাঝমাঠে ডাবল মার্কিং ও পাসের পথ বন্ধ করে কোচ টমাস টুখেলের শিষ্যরা প্রথমার্ধ গোলশূন্য রাখতে সক্ষম হয়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫ মিনিটে ডেকলান রাইসের কাছ থেকে বল পেয়ে মরগান রজার্সের মাপা ক্রসে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। বিশ্বকাপে এটি গর্ডনের প্রথম গোল।

গোল খাওয়ার পর আর্জেন্টিনা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয়। ৫৬ মিনিট থেকে নির্ধারিত সময়ের শেষ পর্যন্ত বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা ৮৮ শতাংশ আধিপত্য বিস্তার করে। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড বেশ কয়েকটি আক্রমণ রুখে দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। ৬৯ মিনিটে নিকোলাস গনজালেসের হেড এবং ৮০ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লাগলে আর্জেন্টিনা গোলবঞ্চিত থাকে।

ম্যাচের ৮৬ মিনিটে মেসি ও এনজো ফার্নান্দেজের বোঝাপড়ায় সমতা ফেরায় আর্জেন্টিনা। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে এনজোর নেওয়া বাঁকানো শট পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। এরপর অতিরিক্ত সময়ে মেসির নিখুঁত এক ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে লাউতারো মার্তিনেজ জয়সূচক গোলটি করেন। এর আগে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে মেসি সেই বলটি সংগ্রহ করে গোলটিতে বড় ভূমিকা রাখেন। পুরো ম্যাচে খুব বেশি দৃশ্যমান না থাকলেও শেষ মুহূর্তে মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সই আর্জেন্টিনার ফাইনালের পথ নিশ্চিত করে।