লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া আর্জেন্টিনা এবার ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। আগামী ১৯ জুলাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আলবিসেলেস্তেরা লড়বে স্পেনের বিপক্ষে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল রক্ষণাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনী। দুই দল মাঝমাঠে আধিপত্য ধরে রাখতে ব্যস্ত থাকায় আক্রমণে ধার ছিল কম। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা ৫৮ শতাংশ বলের দখল রাখলেও গোলের বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। বিরতির আগে মোট ১৯টি ফাউল হয়, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। রেফারি ইসমাইল দুই দলের একজন করে খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান। ৩৩ মিনিটে ডেক্লান রাইসের ফ্রি-কিক থেকে জন স্টোনসের হেড সাইড নেটে লাগলে ইংল্যান্ডের গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনা আক্রমণের ধার বাড়ালেও ৫৫ মিনিটে উল্টো গোল খেয়ে বসে। ডেক্লান রাইসের পাস থেকে রজার্সের নিখুঁত ক্রসে অ্যান্থনি গর্ডন বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠা আর্জেন্টিনা ৬৪ মিনিটে নিকোলাস গঞ্জালেসকে মাঠে নামায়। ৭২ মিনিটে স্কালোনি একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনলে ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পর দে পলের ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

শেষ পর্যন্ত ৮৫ মিনিটে কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে এনজো ফার্নান্দেজের জোরালো শট ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। সমতায় ফেরার পর ইনজুরি টাইমের ৯২ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে লাউতারো মার্টিনেজ হেডের মাধ্যমে জয়সূচক গোলটি করেন। এই জয়ে ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান না ঘটিয়ে তাদের বিদায় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া আর্জেন্টিনা এবার ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই সেমিফাইনালে পিছিয়ে পড়ার পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। আগামী ১৯ জুলাই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আলবিসেলেস্তেরা লড়বে স্পেনের বিপক্ষে।

ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল রক্ষণাত্মক ফুটবলের প্রদর্শনী। দুই দল মাঝমাঠে আধিপত্য ধরে রাখতে ব্যস্ত থাকায় আক্রমণে ধার ছিল কম। প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনা ৫৮ শতাংশ বলের দখল রাখলেও গোলের বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। বিরতির আগে মোট ১৯টি ফাউল হয়, যার মধ্যে আর্জেন্টিনা ১২টি এবং ইংল্যান্ড ৭টি ফাউল করে। রেফারি ইসমাইল দুই দলের একজন করে খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান। ৩৩ মিনিটে ডেক্লান রাইসের ফ্রি-কিক থেকে জন স্টোনসের হেড সাইড নেটে লাগলে ইংল্যান্ডের গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনা আক্রমণের ধার বাড়ালেও ৫৫ মিনিটে উল্টো গোল খেয়ে বসে। ডেক্লান রাইসের পাস থেকে রজার্সের নিখুঁত ক্রসে অ্যান্থনি গর্ডন বল জালে জড়িয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠা আর্জেন্টিনা ৬৪ মিনিটে নিকোলাস গঞ্জালেসকে মাঠে নামায়। ৭২ মিনিটে স্কালোনি একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনলে ম্যাচের মোড় ঘুরতে শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পর দে পলের ক্রসে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে।

শেষ পর্যন্ত ৮৫ মিনিটে কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বলে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে এনজো ফার্নান্দেজের জোরালো শট ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে জালে জড়ায়। সমতায় ফেরার পর ইনজুরি টাইমের ৯২ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টারের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে লাউতারো মার্টিনেজ হেডের মাধ্যমে জয়সূচক গোলটি করেন। এই জয়ে ইংল্যান্ডের ৬০ বছরের অপেক্ষার অবসান না ঘটিয়ে তাদের বিদায় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।