লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রথম দিনে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াল অস্ট্রেলিয়া

২০১৮ সালের কুখ্যাত স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের এই সিরিজ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। তবে ডারবানে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটি আলোকস্বল্পতার কারণে আগেভাগেই শেষ হয়ে যায়। প্রথম দিনে মাত্র ৬৫.২ ওভার খেলা সম্ভব হয়েছে, যেখানে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

একপর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থা আরও শোচনীয় হতে পারত। মাত্র ১২৪ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল দলটি। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ম্যাট রেনশ ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। দিন শেষে রেনশ ৪৬ রানে এবং কামিন্স ৩৩ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। আজ দ্বিতীয় দিনে এই দুই ব্যাটার আবারও দলের হাল ধরবেন। এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে ওপেনিং করা রেনশ এই ম্যাচে পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করতে নামেন।

এদিনের খেলার সবচেয়ে বড় চমক ছিল দীর্ঘ ১০ বছর পর টেস্ট দলে ফেরা নিক ম্যাডিনসনের ওপেনিংয়ে নামা। ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হওয়া এই ব্যাটারের প্রত্যাবর্তনটা অবশ্য একেবারেই সুখকর হয়নি। ৩৩ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। ওপেনারদের মধ্যে টেস্টের ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি বল খেলে শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনা রয়েছে মাত্র দুটি। ১৯৯৫ সালে ডানেডিনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ড্যারিন মারে ৩৯ বল খেলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। আর ২০০০ সালে কিংস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের ওপেনার ট্রেভর গ্রিপার খেলেন ৩৬ বল। ক্যানসার জয় করে ফেরা ম্যাডিনসনকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্তকে এক প্রকার 'নিষ্ঠুর জুয়া' হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য ব্যাটারদের মধ্যে ওপেনার ট্রাভিস হেড মাত্র ৯ রানে সাজঘরে ফেরেন। এছাড়া মারনাস লাবুশেন ৩৭ এবং স্টিভেন স্মিথ করেন ২৫ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তিন পেসার মার্কো ইয়ানসেন, উইয়ান মুল্ডার ও আনরিখ নর্কিয়া। তারা প্রত্যেকেই ২টি করে উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ধস নামান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে পারে বাংলাদেশ: টুকু

প্রথম দিনে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াল অস্ট্রেলিয়া

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

২০১৮ সালের কুখ্যাত স্যান্ডপেপার কেলেঙ্কারির পর এই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচের এই সিরিজ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। তবে ডারবানে সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটি আলোকস্বল্পতার কারণে আগেভাগেই শেষ হয়ে যায়। প্রথম দিনে মাত্র ৬৫.২ ওভার খেলা সম্ভব হয়েছে, যেখানে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।

একপর্যায়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থা আরও শোচনীয় হতে পারত। মাত্র ১২৪ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল দলটি। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ম্যাট রেনশ ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। দিন শেষে রেনশ ৪৬ রানে এবং কামিন্স ৩৩ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। আজ দ্বিতীয় দিনে এই দুই ব্যাটার আবারও দলের হাল ধরবেন। এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে ওপেনিং করা রেনশ এই ম্যাচে পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করতে নামেন।

এদিনের খেলার সবচেয়ে বড় চমক ছিল দীর্ঘ ১০ বছর পর টেস্ট দলে ফেরা নিক ম্যাডিনসনের ওপেনিংয়ে নামা। ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হওয়া এই ব্যাটারের প্রত্যাবর্তনটা অবশ্য একেবারেই সুখকর হয়নি। ৩৩ বল খেলে রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। ওপেনারদের মধ্যে টেস্টের ইতিহাসে এর চেয়ে বেশি বল খেলে শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনা রয়েছে মাত্র দুটি। ১৯৯৫ সালে ডানেডিনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের ড্যারিন মারে ৩৯ বল খেলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। আর ২০০০ সালে কিংস্টনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের ওপেনার ট্রেভর গ্রিপার খেলেন ৩৬ বল। ক্যানসার জয় করে ফেরা ম্যাডিনসনকে ওপেনিংয়ে পাঠানোর নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্তকে এক প্রকার 'নিষ্ঠুর জুয়া' হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য ব্যাটারদের মধ্যে ওপেনার ট্রাভিস হেড মাত্র ৯ রানে সাজঘরে ফেরেন। এছাড়া মারনাস লাবুশেন ৩৭ এবং স্টিভেন স্মিথ করেন ২৫ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তিন পেসার মার্কো ইয়ানসেন, উইয়ান মুল্ডার ও আনরিখ নর্কিয়া। তারা প্রত্যেকেই ২টি করে উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ধস নামান।