লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার জন্মভূমি এবং শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র স্থান মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়েছে। কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালনের পর বৃহস্পতিবার লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার শেষ বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

সকাল থেকেই মাশহাদের প্রধান সড়ক ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে শোকাহত মানুষের ঢল নামে। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষ খামেনির ছবি, ব্যানার এবং বিভিন্ন প্রতীকী পতাকা নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষভাবে প্রস্তুত করা শববাহী যানবাহনে করে তার মরদেহ ইমাম রেজা (আ.) মাজারে নিয়ে আসা হলে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

খামেনির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মাজার প্রাঙ্গণেই তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, ওই একই স্থানে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও সমাহিত করা হয়েছে। দাফন অনুষ্ঠানে ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় অঙ্গনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, খামেনির প্রয়াণকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সম্ভাব্য নেতৃত্ব পরিবর্তন এবং সামরিক উত্তেজনা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, লাখো মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই দাফন কর্মসূচির মাধ্যমে ইরানের সমসাময়িক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠাচ্ছে রাশিয়া

মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তার জন্মভূমি এবং শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র স্থান মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়েছে। কয়েক দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক পালনের পর বৃহস্পতিবার লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার শেষ বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

সকাল থেকেই মাশহাদের প্রধান সড়ক ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে শোকাহত মানুষের ঢল নামে। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষ খামেনির ছবি, ব্যানার এবং বিভিন্ন প্রতীকী পতাকা নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষভাবে প্রস্তুত করা শববাহী যানবাহনে করে তার মরদেহ ইমাম রেজা (আ.) মাজারে নিয়ে আসা হলে এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

খামেনির শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মাজার প্রাঙ্গণেই তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, ওই একই স্থানে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও সমাহিত করা হয়েছে। দাফন অনুষ্ঠানে ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় অঙ্গনের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

এদিকে, খামেনির প্রয়াণকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সম্ভাব্য নেতৃত্ব পরিবর্তন এবং সামরিক উত্তেজনা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। পর্যবেক্ষকদের মতে, লাখো মানুষের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই দাফন কর্মসূচির মাধ্যমে ইরানের সমসাময়িক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।